ক্যাটাগরি "জাতীয়"

(ভিডিও লিঙ্ক নিচে দেওয়া আছে)

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাসের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হয়েছে।

শুক্রবার রাতে আপত্তিকর এ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, চিত্ত রঞ্জন দাস একটি কক্ষে ২০-২১ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করছেন। 

ওই কক্ষের কেউ তা গোপনে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ব্যক্তি চিত্ত রঞ্জন দাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। এর দায় তাকেই নিতে হবে। চিত্ত রঞ্জন দাসের আগে থেকেই চারিত্রিক ত্রুটি ছিল। যার কাছে একটি  মেয়েও নিরাপদ না, তিনি আবার জনগণের সেবক হন কীভাবে তা ভেবে পাই না। এই নৈতিক অবক্ষয় মেনে নেওয়া যায় না।

সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের জামিরুল ইসলাম বলেন, চিত্ত রঞ্জন দাসের মতো একজন দায়িত্বশীল প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও কাউন্সিলরের কাছ থেকে জনগণ এটা প্রত্যাশা করে না। ভিডিওটি দেখার পর থেকে আমি চরম ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।

এ বিষয়ে কথা বলতে চিত্ত রঞ্জন দাসের সঙ্গে মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।

সবুজবাগ থানার ওসি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।  

তিনি বলেছেন, আমাদের কর্মকর্তারা যেটি মেনে চলবেন স্যার, ম্যাডাম বা এমন কিছু সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।

সরকারি

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্যার শব্দের অর্থ মহোদয়। ম্যাডাম অর্থ মহাদয়া। জনাব বা জনাবা। রুলস অব বিজনেসে এটা নাই। আমাদের জাতির পিতার নির্দেশনা কী ছিল? যারা তোমাদেরর কাছে সেবা নিতে আসে তাদের দিকে তাকাও তারা তোমার ভাইয়ের মতো, বাবার মতো, আত্মীয়ের মতো। যারা সেবা দিতে আসে তারা জনগণ, জনগণের সেবক হও। জনগণের টাকায় তোমার বেতন হয়।

ফরহাদ হোসেন বলেন, সেক্ষেত্রে আমাদের স্লোগনটা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে চাই। সেজন্য আমি নিজেও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, তাদের অনুপ্রাণিত করি। মাঠ প্রশাসনের প্রধান বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে নির্দেশনা দেই। তারা অ্যাসিল্যান্ড থেকে শুরু করে ইউএনওদের নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। তারা প্রতিদিন তাদেরকে এই বার্তাগুলো দিচ্ছেন যে জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। আমরা জনমুখী জনপ্রশাসন বলতে ওইটাই বলেছি। সেক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।

‘কেউ সেবা নিতে গেলে হাসিমুখে, আপনার এটিচিউডটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সেবা নিতে গলে যদি ওয়েলকামিং এটিচিউড না থাকে, আপনি তিরস্কার বা রেগে আছেন- এগুলো দুর্নীতি। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল। এটা করা যাবে না। আপনি সুন্দর, সাবলীলভাবে কথা বলেন। এমন কথা বলাটা এমন না যে ক্ষমতা দেখাতে পারছেন না বা আপনি হেরে যাচ্ছেন। সাধ্যমত সেবাটি দেওয়া। আপনার আচরণ সরকারের আচরণ। সবাই মনে করে আপনার অফিস প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একটি অংশ। ’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কর্মকর্তারা যেটি মেনে চলবে- স্যার, ম্যাডাম বা এমন কিছু সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।

সম্প্রতি মাঠ প্রশাসনে এক কর্মকর্তাকে স্যার সম্বোধন না করায় উদ্ভুত পরিস্তিতি নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি জায়গায় একটি ঘটনা ঘটেছিল, সেখানেও আমরা দেখেছি আশেপাশে যারা ছিল তাদের অতি বাড়াড়িতে এমনটি হয়েছিল।

‘এমনও নজির আছে, একজন ইউএনও যখন চলে যায় তখন কিন্তু মানুষ কাঁদে। বহুদিন তাকে মনে রাখে। সব গুণাবলি যেন থাকে, তারা যেন অতি মানবিক হয়। ’

বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া বক্তব্য দেন।

চেতনাবার্তা ডেস্ক : বগুড়ার শাজাহানপুরে এক মাদরাসাছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাড়িতে ডেকে এনে দিনভর ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ডেমাজানি দক্ষিণ পাড়া গ্রামে। অভিযুক্ত রিফাত (১৭) দশম শ্রেণীর ছাত্র এবং ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। 

শাজাহানপুরে মাস্টার্স  এর ছাত্রীকে ধর্ষণ  করলো ১০ম শ্রেণির ছাত্র

সোমবার এ অভিযোগে শাজাহানপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ওই মাদরাসাছাত্রীর মা জুলেখা বেগম জানান, আমার মেয়ে একটি মাদরাসার কামিল শ্রেণীতে (মাস্টার্স ) লেখাপড়া করেন। আমাদের বাড়ি শেরপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামে। পাশের শাজাহানপুর উপজেলার ডেমাজানি গ্রামের রিফাত প্রায় এক বছর ধরে আমার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এ নিয়ে নিষেধ করা সত্বেও তিনি মানেনি। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার দিন সে বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার মেয়েকে প্রলোভন দিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাশের ফুফুর বাড়িতে নিয়ে যায়। এ সময় ওই বাড়িতে কেউ না থাকায় দিনভর মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। 

মেয়েটির খালা হালিমা জানান, ওই বাড়িতে কেউ থাকে না। সারাদিন দু’জনে ঘরের ভেতরে ছিল। বিকেলে টের পেলে রিফাতের স্বজনরা এসে রিফাতকে নিয়ে যায়। আর মেয়েটিকে তার বাবার বাড়িতে রেখে আসে। এরপর মেয়েটি মা-বাবাকে সব জানালে তারা এসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

মেয়েটির নানা হাবিল মিয়া জানান, বিয়ের কথা বলে দিনভর তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করা হয়েছে। তাছাড়া রিফাতের মা-বাবা ও স্বজনরা দাপুটে হওয়ায় নির্যাতিতা মেয়েটির কথা কেউ আমলে নেয়নি। জটিলতা থেকে বাঁচতে সন্ধ্যার পর মেয়েটিকে রেখে এসেছে।

রিফাতের মা-বাবা জানান, ওসব কিছু না। ছেলে মেয়ে ওসব একটু করেই থাকে। তবে রিফাত পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার এসআই জেবুননেসা জানান, অভিযোগের পর নির্যাতিতা মাদরাসাছাত্রীকে মেডিক্যাল রিপোর্ট ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করেছেন অমিত রাজ নামের স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। 

দুধ দিয়ে গোসল
দুধ দিয়ে গোসল করছেন যুবলীগ নেতা

দাম্পত্য কলহের জেরে শনিবার (২১ আগস্ট) স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয় অমিত রাজের। এ ঘটনার পর তার বৃদ্ধ দাদী মনোয়ারা বেগম তাকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়েছেন। এমন অভিনব কাণ্ডের ছবি-ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

অমিত অভিরামপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক।

অমিত জানান, দীর্ঘদিন প্রেমের পর তাদের বিয়ে হয়। ইতোমধ্যে একটি ছেলে সন্তানও জন্ম নিয়েছে তাদের। হঠাৎ তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে। এরই সূত্র ধরে সে ওই ছেলের সঙ্গে গত তিন মাস আগে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছিল। কিছুদিন পর তার স্ত্রী ফিরে এসে তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেন। শনিবার ডিবি কার্যালয়ে বসে ৩ লাখ টাকার (দেনমোহর) বিনিময়ে তাদের মধ্য বিচ্ছেদ হয়। এরপর তার তিন বছরের ছেলে সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে দুধ দিয়ে গোসল করেন অমিত।

তিনি বলেন, প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। ভেবেছিলাম সংসার সুখের হবে। আমারা জীনব সুন্দর করে সাজাব, কিন্ত সুখি হতে পারলাম না। এটা আমার ব্যর্থতা। সে আসলে মন থেকে আমাকে ভালোবাসেনি। মন থেকে ভালোবাসলে যতো কষ্টই হোক আমাকে, আমার সন্তানকে ছেড়ে অন্য ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যেত না। এবার আমি মুক্ত। আমার আর কোনো অভিযোগ নাই।

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে এনামুল হোসেন (৪০) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার বাড়ির আঙিনায় চারটি গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়।

এনামুল হোসেন (৪০)

শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মদনের চর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার মদনের চর এলাকার মৃত এফাজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মদনের চর এলাকায় অভিযান চালায় থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় ওই এলাকার এনামুল হোসেনের বাড়ির আঙিনায় চারটি গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়। পরে এনামুল হককে আটক করা হয়।
রাজিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম জানান, আটক এনামুলের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Chetona Barta Desk:  A Chattogram court on Wednesday rejected the bail petition filed by the lawyer of former police officer Babul Akter, prime accused in his wife Mahmuda Khanam Mitu murder case.

The court of Metropolitan Session Judge Sheikh Ashfaqur Rahman passed the order, said Chattogram metropolitan public prosecutor Md Fakhruddin Chowdhury.

Mahmuda Khanam Mitu
Mahmuda Khanam Mitu.

The lawyer said that Babul’s lawyer filed a petition seeking bail in the murder case but the court rejected the petition.  

Babul’s lawyer Muhammad Ajmul Huda told New Age that they would go for the next step for securing bail after discussing it with Babul’s family.

Earlier on August 10, a Chattogram metropolitan magistrate court rejected Babul Akter’s bail petition filed by his lawyer.

Babul Akter was in Chattogram central jail from May 12 in the case filed over the murder of Mahmuda Khanam Mitu in 2016. On May 29, Babul was transferred to Feni jail from Chattogram.

Mitu was stabbed and shot to death on June 5, 2016 when she was walking her son to his school bus stop at the Port City’s GEC Intersection.

Former police officer Babul Akter filed a case in 2016 after the murder. PBI submitted final report on May 12 in the case filed by Babul Akter in 2016 after the murder as the investigators found ‘Babul Akter’s involvement in Mitu murder’ after five years of investigation.

Babul Akter turned into as the prime accused from the plaintiff in wife’s murder case as Mitu’s father Mosharaf Hossain filed a fresh case on May 12, 2021 over the murder.

The other accused in the case are Kamrul Islam Sikdar alias Musa, 40, Ehteshamul Hoque alias Haniful ]Hoque alias Bhola, 41, Md Motaleb Mia alias Wasim, 27, Md Anwar Hossain, 28, Md Khairul Islam alias Kalu, 28, Md Saidul Islam Sikder alias Saku, 45, and Shahjahan Mia, 28.

Chetona Barta: Prime Minister Sheikh Hasina today asked secretaries to ensure the current pace of development in Bangladesh.

"We have to continue our endeavours so that Bangladesh can march forward in future like it is doing now," she said. 

The prime minister said this while speaking at a meeting with all secretaries of public service.

The meeting was held at the NEC auditorium. The PM joined in from her official residence Gono Bhaban.

She said the government has laid the foundation to take the country forward in the days to come.

Referring to the perspective plan and delta plan, she said, "We have to make much progress in the future."

She asked the secretaries to make sure that all plans are implemented for the country's development, keeping the perspective plan and delta plan in mind.

She said the prime task of the government is to provide better life for people at the grassroots.

"People could break free of poverty, get a better life, get a chance to avail all the basic rights including food, clothes, shelter, healthcare and education," she said.

Sheikh Hasina asked all to work sincerely to uphold the independence that came at the cost of millions of lives.

"We will take Bangladesh forward as a developed and prosperous country as we have already attained recognition as a developing country," she said.

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর এলাকায় প্রবাস থেকে দেশে ফেরার ৩ দিনের মাথায় নিজ ঘরে স্ত্রীর শাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) রাত ৮ টায় ৩ ওয়ার্ডের করকুমাইকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাত ১০ টায় লাশ দুটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহতরা হলেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কুরকুমাইকুল গ্রামের মো. শাহ আলমের ছেলে সদ্য প্রবাস ফেরত মো. ইসমাঈল হোসেন (২৭) ও তার স্ত্রী রুমা আকতার (২০)।

আত্মহত্যা
তিন দিন আগে দেশে ফিরেই বউকে নিয়ে গলায় ফাঁস দিলেন কাতার প্রবাসী

জানা যায়, উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের কুরকুমাই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে কাতার প্রবাসী মো. ইসমাঈলের সাথে ৪ বছর পূর্বে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের উত্তর ঘাটচেক এলাকার মো. জামাল উদ্দিনের মেয়ে রুমা আকতারের বিয়ে হয়। বিয়ের ৫ মাসের মাথায় ইসমাঈল হোসেন কাতার পাড়ি জমান। তাদের ঘরে ১ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। গত ৩ দিন (১০ আগস্ট) আগে ইসমাঈল কাতার থেকে দেশে ফেরেন। ইসমাঈলের বাবা শাহ আলম জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে ঘরে এসে দুপুরে খাওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী তাদের রুমে যায়।

সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ঘর থেকে বের না হওয়ায় বাড়ির অন্য সদস্যরা তাদের ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরে গিয়ে দেখা যায় দরজা ভেতর থেকে আটকানো। এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের লোকজন দেখতে পান তারা দু’জনই ঘরের ছাদের কুঠির (বিম) সাথে শাড়ীতে গলায় ফাঁস নেয়া অবস্থায় ঝুলছে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি থানায় খবর দিলে পুলিশ রাত প্রায় ১০ দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। কি কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কিছুই জানা যায়নি।

এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের এএসপি শামীম আনোয়ার বলেন, শুক্রবার দিনগত রাত ১০টার দিকে নিজেদের শোবার ঘরের ছাদের কু’ঠির স’ঙ্গে শাড়িতে গ’লায় ফাঁ’স নিয়ে স্বামী ও স্ত্রী দুইজনেই আ’ত্মহ’ত্যা’ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনের ঝুল’ন্ত লা’শ উ’দ্ধার করে। পরে সুরতহা’ল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর লা’শ দুটি ময়’নাতদ’ন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তারা আ’ত্মহ”ত্যা’ করেছেন বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তদ’ন্ত করে দেখা হচ্ছে। লা’শ ময়’নাতদ’ন্তের প্রতিবেদনের পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় একটি অ’পমৃ’ত্যু মাম’লা দা’য়ের হবে বলে জানান তিনি।

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর এলাকায় প্রবাস থেকে দেশে ফেরার ৩ দিনের মাথায় নিজ ঘরে স্ত্রীর শাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) রাত ৮ টায় ৩ ওয়ার্ডের করকুমাইকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাত ১০ টায় লাশ দুটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহতরা হলেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কুরকুমাইকুল গ্রামের মো. শাহ আলমের ছেলে সদ্য প্রবাস ফেরত মো. ইসমাঈল হোসেন (২৭) ও তার স্ত্রী রুমা আকতার (২০)।

আত্মহত্যা
তিন দিন আগে দেশে ফিরেই বউকে নিয়ে গলায় ফাঁস দিলেন কাতার প্রবাসী

জানা যায়, উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের কুরকুমাই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে কাতার প্রবাসী মো. ইসমাঈলের সাথে ৪ বছর পূর্বে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের উত্তর ঘাটচেক এলাকার মো. জামাল উদ্দিনের মেয়ে রুমা আকতারের বিয়ে হয়। বিয়ের ৫ মাসের মাথায় ইসমাঈল হোসেন কাতার পাড়ি জমান। তাদের ঘরে ১ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। গত ৩ দিন (১০ আগস্ট) আগে ইসমাঈল কাতার থেকে দেশে ফেরেন। ইসমাঈলের বাবা শাহ আলম জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে ঘরে এসে দুপুরে খাওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী তাদের রুমে যায়।

সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা ঘর থেকে বের না হওয়ায় বাড়ির অন্য সদস্যরা তাদের ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরে গিয়ে দেখা যায় দরজা ভেতর থেকে আটকানো। এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের লোকজন দেখতে পান তারা দু’জনই ঘরের ছাদের কুঠির (বিম) সাথে শাড়ীতে গলায় ফাঁস নেয়া অবস্থায় ঝুলছে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি থানায় খবর দিলে পুলিশ রাত প্রায় ১০ দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। কি কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কিছুই জানা যায়নি।

এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের এএসপি শামীম আনোয়ার বলেন, শুক্রবার দিনগত রাত ১০টার দিকে নিজেদের শোবার ঘরের ছাদের কু’ঠির স’ঙ্গে শাড়িতে গ’লায় ফাঁ’স নিয়ে স্বামী ও স্ত্রী দুইজনেই আ’ত্মহ’ত্যা’ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনের ঝুল’ন্ত লা’শ উ’দ্ধার করে। পরে সুরতহা’ল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর লা’শ দুটি ময়’নাতদ’ন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তারা আ’ত্মহ”ত্যা’ করেছেন বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তদ’ন্ত করে দেখা হচ্ছে। লা’শ ময়’নাতদ’ন্তের প্রতিবেদনের পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় একটি অ’পমৃ’ত্যু মাম’লা দা’য়ের হবে বলে জানান তিনি।

Chetonabarta Desk:  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক বিয়েবাড়িতে আগুনে আটটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সোমবার (১৬ আগস্ট) ভোর ৫টায় উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাইলওয়ালা বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

আগুন, বিয়ে বাড়ি, বর বউ,
আগুনে পোড়া বিয়ে বাড়ি

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রধানরা হলেন- মো. আবদুর রব, মো. বাচ্চু, মো. মুসা মিয়া, পরানী বেগম, নুর আলম, মোস্তফা সবুজ, মো. রবিন ও মো. সোহেল।


কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. জামিন মিয়া  বলেন, এক ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার আবদুর রবের ছেলে আবদুর রহিম বিয়ের পর বাড়িতে নববধূকে আনেন। সোমবার বৌভাতের অনুষ্ঠান ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর সেই অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ছোটন জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারগুলো কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। বিয়েবাড়ি হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনের ভিড়ও ছিল বেশি।


খবর পেয়ে সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি পৌরসভার পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে, রোববার উপজলার একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আরেক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সেখানেও কাদের মির্জা ৫০ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণ দেন।

Chetonabarta Desk:  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক বিয়েবাড়িতে আগুনে আটটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সোমবার (১৬ আগস্ট) ভোর ৫টায় উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাইলওয়ালা বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

আগুন, বিয়ে বাড়ি, বর বউ,
আগুনে পোড়া বিয়ে বাড়ি

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রধানরা হলেন- মো. আবদুর রব, মো. বাচ্চু, মো. মুসা মিয়া, পরানী বেগম, নুর আলম, মোস্তফা সবুজ, মো. রবিন ও মো. সোহেল।


কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. জামিন মিয়া  বলেন, এক ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার আবদুর রবের ছেলে আবদুর রহিম বিয়ের পর বাড়িতে নববধূকে আনেন। সোমবার বৌভাতের অনুষ্ঠান ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর সেই অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ছোটন জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারগুলো কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। বিয়েবাড়ি হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনের ভিড়ও ছিল বেশি।


খবর পেয়ে সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি পৌরসভার পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে, রোববার উপজলার একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আরেক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সেখানেও কাদের মির্জা ৫০ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণ দেন।

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবুকে (৪২) আটক করা হয়।


জানা যায়, ওই গৃহবধূর শাশুড়ির সাথে রবিউল ইসলাম রবুর অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। তার বাড়িতে আসা যাওয়ার সূত্র ধরে ওই গৃহবধূর পরিচয় হয়। এক সময় কাজের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম চলে যায়। গত রোজার সময় খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে রবু একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে তার স্বামীকে বিষয়টি জানায়। তাতেও কোনো কাজ না হওয়ায় গত ১৬ মে তার স্বামীর উদ্দেশ্যে একটি চিরকুট লিখে গৃহবধূ বাবার বাড়ি চলে আসে। 

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এতদিন বিষয়টি সে কাউকে জানায়নি। দীর্ঘদিন বাবার বাড়িতে থাকার ফলে মায়ের মনে সন্দেহ হয়। তখন গৃহবধূ বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানাতে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে গোমস্তাপুর থানায় যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবু ও তার শাশুড়ি রেহানাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত রবিউল ইসলাম রবু রহনপুর পৌর যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক বলে জানা গেছে।


গোমস্তাপুর থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে গোমস্তাপুর থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক রবুকে রোববার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবুকে (৪২) আটক করা হয়।


জানা যায়, ওই গৃহবধূর শাশুড়ির সাথে রবিউল ইসলাম রবুর অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। তার বাড়িতে আসা যাওয়ার সূত্র ধরে ওই গৃহবধূর পরিচয় হয়। এক সময় কাজের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম চলে যায়। গত রোজার সময় খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে রবু একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে তার স্বামীকে বিষয়টি জানায়। তাতেও কোনো কাজ না হওয়ায় গত ১৬ মে তার স্বামীর উদ্দেশ্যে একটি চিরকুট লিখে গৃহবধূ বাবার বাড়ি চলে আসে। 

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এতদিন বিষয়টি সে কাউকে জানায়নি। দীর্ঘদিন বাবার বাড়িতে থাকার ফলে মায়ের মনে সন্দেহ হয়। তখন গৃহবধূ বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানাতে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে গোমস্তাপুর থানায় যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবু ও তার শাশুড়ি রেহানাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত রবিউল ইসলাম রবু রহনপুর পৌর যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক বলে জানা গেছে।


গোমস্তাপুর থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে গোমস্তাপুর থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক রবুকে রোববার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে আগামী নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠতি হবে। পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংক্রমণের হার দশ শতাংশে নেমে এলে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আজ রোববার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিউটে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক করোনার সংক্রমণ এখন নিম্নমুখী। যদিও সংক্রমণের হার এখনও ২০ শতাংশের ওপরে। আমরা আশা করছি এ হার ধীরে ধীরে কমে আসবে। তাই, পরিস্থিতি আরেকটু স্বাভাবিক হয়ে এলে প্রথমে এসএসসি, পরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বলছি—গত বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সংক্রমণের হার অনেক কমে গিয়েছিল। এ কারণেই আমরা এবারও নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পরীক্ষাগুলো নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরীক্ষার সময়সূচিসহ সবকিছুই ঠিক করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সংক্রমণের হার দশ শতাংশের নিচে চলে এলেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেব। প্রথমে আমরা আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করব। 

বেশির ভাগ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনতে পারলে এবং করোনার সংক্রমণের হার কমে এলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেব।’ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সপ্তাহে ছয় দিনের জন্যই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাব, বিষয়টি এমন নয়। আমরা প্রথম দিকে বিরতি দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাব। এভাবে ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা খুব সহসাই বিশ্ব থেকে বিদায় নেবে, বিষয়টি এমন নয়। করোনা হয়তো অনেক দিনই বিশ্বে থাকবে, এটিকে মাথায় রেখেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা কাঠামো তৈরি করতে হবে।

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে শাহিন আলমের বিস্তৃত তরমুজখেত। সেখানকার মাচায় ঝুলছে রংবেরঙের তরমুজ। কোনোটি গাঢ় সবুজ, আবার কোনোটি হলুদ। ওই খেত দেখতে ভিড় করছেন আশপাশের এলাকার মানুষ।



শাহিন আলম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। কথায় কথায় জানালেন, করোনার থাবায় বন্ধ আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই অবসরে রাজধানী থেকে গ্রামে ফিরে কিছু একটা করার উদ্যোগ নেন। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুর রহমানের পরামর্শে ইউটিউব দেখে বিদেশি তরমুজ চাষের প্রাথমিক ধারণা নেন। সেই ধারণা থেকে ২৫ শতক জমিতে তরমুজ চাষের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। রাজধানী থেকে গোল্ডেন ক্রাউন (ওপরে হলুদ, ভেতরে লাল) ও ব্ল্যাক বেবির (ওপরে গাঢ় সবুজ, ভেতরে লাল) তরমুজের বীজ সংগ্রহ করে বপন করেন। চারা হওয়ার পর গত ১৯ জুন সেই তরমুজের চারা জমিতে স্থানান্তর করেন। শুরু করেন নিয়মিত পরিচর্যা।


শাহিন আলম বলেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে গাছে ফল আসতে শুরু করে। প্রতিটি ফল তিনি নেটের ব্যাগে ঝুলিয়ে দেন। ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাতেও তরমুজ নষ্ট হয়নি। অসময়ে বিদেশি জাতের তরমুজ চাষ করায় অনেকে কৌতূহল নিয়ে তাঁর তরমুজ খেত দেখতে আসেন।


সরেজমিনে দেখা গেছে, মাচায় ঝুলছে কালচে ও হলুদ রঙের তরমুজ। সবুজ পাতার মধ্যে যেদিকে চোখ যায়, সেখানেই শুধু তরমুজ আর তরমুজ। তরমুজ দেখতে আসা অনেককেই তরমুজ কেটে আপ্যায়ন করছেন শাহিন।


শাহিন আলম বলেন, পরীক্ষামূলক তরমুজ চাষে সফলতা পেলে আরও বড় আকারে চাষ করার পরিকল্পনা আছে। এ পর্যন্ত জমি প্রস্তুত, সার, বীজ, মাচা, সুতা ও জাল বাবদ তাঁর খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর খেতের তরমুজ খাওয়ার উপযোগী হবে। এসব তরমুজ ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রির আশা তাঁর।


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ বাসা কিংবা অফিস, অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে অংশ নিয়েই প্রশিক্ষণ ভাতা হিসেবে নগদ অর্থ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অর্থাৎ করোনাকালেও বন্ধ হচ্ছে না সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ভাতা। তবে স্বাভাবিক সময়ে যে পরিমাণ টাকা দেওয়া হতো এখন থেকে মিলবে তার অর্ধেক।


এরইমধ্যে সব ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, কোর্স পরিচালকসহ অন্যদের ভাতা ও সম্মানীর নতুন হার নির্ধারণ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। নতুন নিয়মে কোর্স পরিচালক, কোর্স সমন্বয়ক ও সাপোর্ট স্টাফরাও পাবেন অর্ধেক টাকা। যদিও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না প্রশিক্ষকদের সম্মানীতে, তারা আগের মতোই অর্থ পাবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব নারগিস মুরশিদা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে আপ্যায়ন বাবদ কেউ কোনো টাকা পাবেন না। এতদিন দৈনিক ৫০০ টাকা করে দুপুরের খাবার ভাতা এবং দুই বেলা চা-নাশতার ভাতা ৮০ টাকা করে পেয়ে আসছিলেন প্রশিক্ষণার্থীরা। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশিক্ষণ নিলে এ খাবার ভাতা ও চা-নাশতার ভাতা আর দেওয়া হবে না বলেও নিশ্চিত করা হয় চিঠিতে।

এছাড়া ২০১৯ সালের ২২ মে যেসব শর্ত উল্লেখ করে প্রশিক্ষণ ভাতা ও সম্মানীর হার নির্ধারণ করা হয়েছিল, অপরিবর্তিত থাকবে সেগুলোও।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, অর্থ বিভাগের করা এবারের নতুন হার অনুযায়ী, গ্রেড ৯ থেকে তার ওপরের সরকারি চাকরিজীবী প্রশিক্ষণার্থীরা ভাতা পাবেন দৈনিক জনপ্রতি ৩০০ টাকা হারে। যা আগে ছিল ৬০০ টাকা। আর গ্রেড ১০ থেকে তার নিচের পর্যায়ের সব কর্মচারীরা ভাতা পাবেন ২৫০ টাকা করে যা ছিল ৫০০ টাকা।  

এছাড়া ১৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে কোর্স পরিচালকদের সম্মানী করা হয়েছে ৭৫০ টাকা। ১২০০ টাকার পরিবর্তে ৬০০ টাকা করে পাবেন কোর্স সমন্বয়কেরা আর ৫০০ টাকার পরিবর্তে সাপোর্ট স্টাফরা পাবেন ২৫০ টাকা করে।

যদিও বদলানো হয়নি, যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতা। প্রতি ঘণ্টার সেশনে যুগ্ম সচিব থেকে তার ওপরের পর্যায়ের কর্মচারীরা ২ হাজার ৫০০ টাকা করে এবং উপসচিব থেকে তার নিচের পর্যায়ের কর্মচারীরা দুই হাজার টাকা করে যে সম্মানী পেয়ে আসছিলেন, তা বহাল রাখা হয়েছে। 

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, করোনার কারণে ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবেই ভাতা ও সম্মানী কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই কারণে গত ১ জুলাই সরকারি কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় লাগাম টানতেও পদক্ষেপ নিয়েছে অর্থ বিভাগ।

মূলত, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই দেশে অনলাইন সভা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের দিকে ঝোঁকে সরকারি দপ্তরগুলো। এসব বৈঠকে সরাসরি যোগ না দিয়েও ভাতা হিসেবে নগদ টাকা পেয়ে আসছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমালোচনার মুখে পড়ে বেশ কয়েকটি দপ্তর। 

আছাদুজ্জামানঃ বাঙালি জাতির অভিভাবক হারানোর দিন, শোকের দিন ও ইতিহাসের কলঙ্কিত কালো দিন আজ ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে হয়েছিল এ কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা। ৪৬ বছর আগের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ ও একটি কুচক্রী মহল। বাঙালির মুক্তির মহানায়ক স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষে যখন ক্ষত-বিক্ষত অবস্থা থেকে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন, তখনই ঘটানো হয় ইতিহাসের নির্মম এ ঘটনা।


জাতি আজ বিনম্র শ্রদ্ধা ও শোকাবনত চিত্তে পালন করছে জাতীয় শোক দিবস। দীর্ঘ ২১ বছর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যেমন হয়নি, তেমনি তার শাহাদাত বার্ষিকী পালনকেও রাষ্ট্রীয় ও সরকারি পর্যায় থেকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তবে জনগণ বরাবরই স্বতঃস্ম্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে হারানোর এ দিনটি পালন করে আসছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো দিনটিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের সূচনা হয়। 

কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে দিবসটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বাতিল করে দেয়। নানা পথপরিক্রমায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ায় ২০০৯ সাল থেকে দিবসটি আবারও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে সেদিন ধানম্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিবার-পরিজনকেও নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হতে হয়েছিল। 

সেদিন ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল মেঝ ছেলে শেখ জামাল ও ছোট ছেলে দশ বছরের শিশু শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। 

পৃথিবীর ইতিহাসে এ জঘন্যতম হত্যাকান্ড  থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অতি আদরের ছোট ভাই শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্তা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে এই শহীদদের। তবে বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় সেই কালরাতে প্রাণে রক্ষা পান।

সেদিন খুনিচক্র শুধু বঙ্গবন্ধুকেই নয়, তার সঙ্গে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশার অর্জন স্বাধীনতা এবং সব মহতী আকাঙ্খাকাকেও হত্যা করতে চেয়েছিল।এমনকি মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালিয়েছিল বাঙালির বীরত্বগাথার ইতিহাসকে।অবশ্য খুনিদের সেই ষড়যন্ত্র টেকেনি। জাতি ও বিশ্বমানবের মানসপটে বঙ্গবন্ধু আজও স্বমহিমায় উজ্জ্বল, চিরভাস্বর। অভিশপ্ত ১৫ আগস্টে বাঙালি জাতির ললাটে যে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা থেকে জাতির দায়মুক্তি ঘটে দীর্ঘ ৩৪ বছরের বেশি সময় পর। বঙ্গবন্ধু হত্যার চূড়ান্ত বিচারের রায় অনুসারে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি মধ্যরাতের পর কার্যকর হয় পাঁচ খুনির ফাঁসি। 

এর মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র ও অবৈধ ক্ষমতা দখলের ঘৃণ্য ও তমসাচ্ছন্ন অধ্যায়ের অবসান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাঙালির বিজয়ের অভিযাত্রা আরেক ধাপ এগিয়ে যায়। চলতি বছরের ১২ এপ্রিলের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের একজন ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদের ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে। তবে পুরো জাতি এখনও প্রতীক্ষার প্রহর গুনছে বাকি পাঁচ পলাতক খুনির ফাঁসি কার্যকরের।



গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলায় একটি গাছে এক রশিতে ঝুলছে দুই যুবকের লাশ। আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটা পর্যন্ত উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের পাঠানডাঙ্গা দুলাবাড়ি গ্রামে লাশ দুটি ঝুলছিল। স্বজনদের অভিযোগ, দুজনকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। লাশ দুটির পাশে তিন ব্যক্তির ছবি, ছুরি ও একটি ব্যাগ আছে।
নিহত ওই দুই যুবক হলেন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চুনিয়াকান্দি গ্রামের রামচন্দ্র দাশের ছেলে মৃণাল দাশ (২৫) ও একই ইউনিয়নের পাঠানডাঙ্গা মাঝিপাড়া গ্রামের মিঠাচন্দ্র দাশের ছেলে সুমন দাশ (২৬)। তাঁরা দুজনই বন্ধু।   
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই যুবক মৃণাল ও সুমন দুদিন আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। স্থানীয় লোকজন আজ সকাল সাতটার দিকে পাঠানডাঙ্গা দুলাবাড়ি গ্রামের একটি আমগাছে একই রশিতে দুজনের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। পরে তাঁরা সদর থানার পুলিশকে খবর দেন। গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশ দুটি দেখে রংপুরের পুলিশের অপরাধবিষয়ক বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেয়।         
গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রউফ বলেন, রংপুর থেকে পুলিশের অপরাধবিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল আসছে। দলটি আসার পর লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত ছাড়া এ ঘটনার কারণ প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না।

পাবনা প্রতিনিধি: কনের বাবার বাড়িতে বরযাত্রীদের খাওয়া-দাওয়া শেষ। এরআগে সেরে ফেলা হয় বিয়ের পর্বটিও। তবে কনেকে শ্বশুরবাড়ি নেয়ার আগ মুহূর্তে হাজির হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের উপস্থিতি মাত্রই পালাতে থাকেন বরযাত্রীরা। বর ইব্রাহিম হোসেনও (২২) কিশোরী বউকে রেখে পালিয়ে যান। তবে আটক হন ঘটক।
রোববার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর ইব্রাহিম হোসেন সাঁথিয়ার ফকিরপাড়া গ্রামের ফজর প্রামাণিকের ছেলে। আর কনে মো. রিপন আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল আহমেদ জানান, করমজায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের খবর আসে। এরপরই সাঁথিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনিরুজ্জামান পুলিশ ফোর্সসহ মেয়ের বাবা মো. রিপন আলীর বাড়িতে যান। কিন্তু তারা পৌঁছার আগেই বিয়ে সম্পন্ন হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বর-কনে ও যাত্রীরা পালিয়ে যান। তবে ঘটককে পুলিশ আটকাতে সক্ষম হয়। ঘটকের তথ্যমতে বর-কনেকে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে পাওয়া যায়। এসময় বর ঘরের জানালা দিয়ে ভেঙে পালিয়ে যান। কনেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করেছে। সাঁথিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান জানান, সরকারি বিধি উপেক্ষা করে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে বিয়ে দেয়ায় মেয়ের বাবা এবং বর-কনেকে আশ্রয়দানকারী প্রতিবেশী আব্দুল মতিন ও ঘটককে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহায়তা করেন সাঁথিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন।

ChetonaBarta Desk: বগুড়ায় সাতবছর আগে খুন হওয়া শামীম (২৬) নামে এক যুবককে হঠাৎ দেখা গেছে সাইকেল চালিয়ে ঘোরাফেরা করতে। অথচ তাকে খুনের মামলায় সাড়ে চার মাস জেল খেটেছেন আজিজার রহমান (৩১) নামের এক ব্যক্তি। সাত বছর ধরে আদালতে নিয়মিত হাজিরাও দিয়ে আসছেন তিনি।
দীর্ঘ সাত বছর পর সোমবার (৯ আগস্ট) সকালে হঠাৎ শামীমের দেখা মিলেছে বগুড়ার সদর উপজেলার মানিকচক এলাকায়। শামীম জীবিতের খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত মানুষ তাকে দেখতে আসে। পরে বগুড়া সদর থানায় পুলিশ শামীমকে হেফাজতে নিয়ে যায়। শামীম সদর উপজেলার শাখারিয়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম শাহিন। আর আজিজার রহমান পাশবর্তী মানিকচকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত ধলু প্রামাণিক। আজিজার পেশায় মুদির দোকানের কর্মচারী। আজিজার রহমান বলেন, শামীমের কাছ থেকে এক লাখ টাকা পাওনা ছিল। সাত বছর আগে শামীমকে টাকা জন্য চাপ দেই। ওই সময়ই শামীম গ্রাম থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে আমার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন শামীমের মা ঝর্ণা বেগম। তিনি আরও বলেন, শামীম হত্যা মামলাা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আমি এ মামলায় সাড়ে চারমাস জেল খেটেছি। এখনো নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছি। সোমবার সকালে মানিকচক এলাকায় শামীমকে বাইসাইকেল চালিয়ে ঘোরফেরা করতে দেখি। পরে আমার ছোটভাই তাকে আটক করে। পরবর্তীতে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাকে (শামীম) থানায় নিয়ে যায়। বগুড়ার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, শামীম থানা হেফাজতে রয়েছেন। হত্যা মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget