(ভিডিও লিঙ্ক নিচে দেওয়া আছে)
চেতনাবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাসের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হয়েছে।
শুক্রবার রাতে আপত্তিকর এ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, চিত্ত রঞ্জন দাস একটি কক্ষে ২০-২১ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করছেন।
ওই কক্ষের কেউ তা গোপনে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ব্যক্তি চিত্ত রঞ্জন দাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। এর দায় তাকেই নিতে হবে। চিত্ত রঞ্জন দাসের আগে থেকেই চারিত্রিক ত্রুটি ছিল। যার কাছে একটি মেয়েও নিরাপদ না, তিনি আবার জনগণের সেবক হন কীভাবে তা ভেবে পাই না। এই নৈতিক অবক্ষয় মেনে নেওয়া যায় না।
সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের জামিরুল ইসলাম বলেন, চিত্ত রঞ্জন দাসের মতো একজন দায়িত্বশীল প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও কাউন্সিলরের কাছ থেকে জনগণ এটা প্রত্যাশা করে না। ভিডিওটি দেখার পর থেকে আমি চরম ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
এ বিষয়ে কথা বলতে চিত্ত রঞ্জন দাসের সঙ্গে মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
সবুজবাগ থানার ওসি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই দিনের ঘটনার একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ফাঁস হয়েছে। এর পর জল গড়ায়নি। পরীমণির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় সামনে আসার পর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে সাকলায়েনকে। আজ পরী-সাকলায়েনের আর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
চেতনাবার্তা ডেস্কঃ আবারও আলোচনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এবার তিনি তার পৌর ভবনের সামনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব দুস্থদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণকালে এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে ঘুষি মারেন।
তাৎক্ষণিক বৃদ্ধকে ঘুষি মারার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টায় পৌর ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
মেয়র মির্জার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া লাইভের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সারিবদ্ধ নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করছেন। ২০ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে ১৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের সময় দেখা যায়, মেয়র মির্জা এক বৃদ্ধের হাতে শাড়ি দিয়েছেন। হাতে নেওয়ার পর ওই বৃদ্ধ শাড়িটি পরিবর্তন করে অন্যটি নিতে চাইলে কাদের মির্জা তার বুকে ঘুষি মেরে সরিয়ে দেন।
একই ভিডিওতে কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ্য করে একটি শাড়ি ছুঁড়ে মারেন মির্জা। ভিডিওতে আরও একাধিক ব্যক্তিকে অপদস্ত করতে দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ঘটনাটি, ‘টক আব দা কোম্পানীগঞ্জ’ এ পরিণত হয়। এ নিয়ে বসুরহাট বাজার ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষকে বিরুপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।