ক্যাটাগরি "গাবতলী"

 বগুড়া গাবতলীর বাগবাড়ী ফাঁড়ি পুলিশ এক অভিযান চালিয়ে ৫কেজি গাঁজাসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে ২০ আগষ্ট শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছেন পুলিশ।

গাবতলী
গাবতলী

গ্রেফতারকৃতরা হলো লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার ছোট কমলবাড়ী গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে আতিকুল ইসলাম (২১), বড় কমলবাড়ী গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে সজিব মিয়া (২২), বকশিপাড়া গ্রামের নুরুল হক এর ছেলে হোসেন আলী (২১)।

এ ছাড়া বাড়ির মালিক গাবতলীর মহিষাবান পশ্চিমপাড়ার কবির হোসেন পলাতক রয়েছে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি’র ইনচার্জ আশরাফুল আলম ও এসআই আব্দুল খালেক এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার মহিষাবান পশ্চিমপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে কবির হোসেন (২৫) এর বাড়িতে হানা দেন।

এ সময় কবির হোসেন ২কেজি গাঁজা ফেলে দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেলেও অন্যান্যদেরকে ৩কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পুলিশ ফাঁড়ি’র এসআই আব্দুল খালেক বাদী হয়ে গাবতলী থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বিপিএম এর দিক নির্দেশনায় ফাঁড়ির অফিসার ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় ৫কেজি গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : শনিবার বগুড়ার গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান রবিনের সহযোগিতায় উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে গাবতলী পাইলট স্কুল কক্ষে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ ও পুষ্ঠিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান রবিন। 



উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান পান্নার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর বিপ্লব সরকারের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেকসেনা আকতার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খাজা নাজিমুদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজার রহমান পাইকার, সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলু, উপজেলা সাধারন সম্পাদক শাহজাহান আলী, পৌর যুবলীগের সভাপতি হযরত আলী হিরন পাইকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম পিপুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছইম সরকার, সাধারন সম্পাদক আব্দুল গফুর বিপ্লব সরকার, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি কৌশিক আহম্মেদ প্রমুখ। শেষে প্রধান অতিথি রবিন খান পৌর সদরে ২০জন মেধাবী শিক্ষাথীদের মাঝে জনপ্রতি নগদ এক হাজার টাকা এবং খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।   

 


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় শাশুড়ি রাশেদা বেগম (৫০) ও ননদ সখি বেগম (২৭) কে হত্যার উদ্দেশ্যে পান ও জর্দার সঙ্গে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে খাওয়ানোর একদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা গেছেন ননদ। গুরুতর অসুস্থ হলেও প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রাণে বেঁচে গেছেন শাশুড়ি। এ ঘটনায় পপি বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে গাবতলী থানা পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে গাবতলী থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাবতলী উপজেলার ধোড়া মধ্যপাড়ার মোজাম্মেল মন্ডলের ছেলে আল আমিনের সঙ্গে বগুড়া সদরের বুজরুকবাড়িয়া কাজীপাড়ার জহুরুল ইসলামের মেয়ে পপি আকতারের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের আতিকা নামে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বউ ও শাশুড়ির মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। মাঝে মধ্যেই বউ-শাশুড়ির মধ্যে ঝগড়াঝাটি হতো। এমতাবস্থায় ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) সকাল ১০ টার দিকে ছেলের বউ পপি বেগম শাশুড়ি রাশেদা বেগমকে (৫০) হত্যার উদ্দেশে পান ও জর্দার মধ্যে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে দেয়। পান খাওয়ার পর শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়।

মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে মেয়ে (ননদ) সখি বেগম (২৭) পরদিন বুধবার সকালে মাকে দেখতে আসেন। মাকে দেখতে আসলে সখি বেগমকেও গালিগালাজ করে ভাই বউ পপি বেগম। একপর্যায়ে ননদ সখি বেগমকেও পান ও জর্দার সঙ্গে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। পান খাওয়ার পর সখি বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার বিকেলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ননদ সখি বেগম মারা যান। এ ঘটনায় স্বামী আল আমিন বাদি হয়ে শুক্রবার গাবতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।  গাবতলী মডেল থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার পপি বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।


গাবতলী(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলে গত শুক্রবার বগুড়ার সৈয়দপুর ইউনিয়ন শিবিরের উদ্যোগে অসহায় দুস্থ্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী (সেমাই চিনি) বিতরন করা হয়েছে। ঈদ সামগ্রী বিতরনে উপস্থিত ছিলেন মোকামতলা ছাত্রশিবির সাথী শাখার এইচ আরডি সম্পাদক মাশরাফি আল মবিন, এ সময় হাফেজ মাহমুদুল্লাহ, সৈয়দপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সভাপতি আব্দুল্লাহ,সেক্রেটারী আমীর হামজা, শিরিবনেতা শরিফুল ইসলাম,মাসুম বিল্লাহসহ জামায়াত ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আকাশ মহাস্থান (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের খরনা গ্রামে বগুড়া জেলা লিগ্যাল এইড কিনিক কমিটির আয়োজনে ও ন্যাশনাল সেন্টার স্টেট কোর্টস এর বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারী আইন গত সহায়তা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় গরীব নারী পুরুষকে আইন বিষয়ক বক্তব্য রাখেন লাইট হাউস বগুড়ার এ্যাডঃ তিপ্ত বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লাইট হাউস বগুড়ার কো-অডিনিটর মোরশেদা খাতুন সহ এলাকার নারী ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।


গাবতলী(বগুড়া)প্রতিনিধি: 
বগুড়ার গাবতলীর দুর্গাহাটা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নাছিম পাইকারের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ইউপি সদস্য নাছিম পাইকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হামিদ পাইকার, জলিল পাইকার, জালাল মন্ডল, ইলিয়াছ, তোতা, বুলু পাইকার, জামিল, দেলোয়ার হোসেন, লেখন খন্দকার প্রমূখ।


আকাশ সদর উপজেলা বগুড়া  প্রতিনিধি: রবিবার সকাল ১১ টায় বগুড়া সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ভান্ডারী পশ্চিম পাড়া গ্রামে নবণির্মিত ব্রীজ পরিদর্শন করেন।
প্রদান অতিথি হিসাবে নবণির্মিত ব্রীজ পরিদর্শন করেন বগুড়া- ৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপ নুরুল ইসলাম ওমর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহানা আখতার জাহান,সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌফিক আজিজ,সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নায়েব আলী, নামুজা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রাসেল মামুন, সদর উপজেলা  আওয়ামীলীগের সভাপতি ও শাখারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান সফিক, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও নামুজা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম দুলু, সদর উপজেলা জাতীয়পার্টি সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম শহিদ প্রমুখ।


গাবতলী(বগুড়া)প্রতিনিধি ঃ কেন্দ্রিয় কর্মসুচির অংশ হিসাবে গতকাল বগুড়ার গাবতলীতে থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোরশেদ মিল্টনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করা হয়। উপজেলা জামাতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল মজিদ, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন মোল¬া, ওবাইদুর রহমান ফটু, জুলফিকার হায়দার গামা, আতিকুর রহমান আতিক, রন্জু, মোমিন,টুকু, মতিয়ার রহমান মতি ,পিন্টু , মকবুল, লতিফ, হিরু, খোকা, রব্বানী , মামুন, সাগর . রাঙ্গা, হাজি রহিম, যুবদল নেতা এমআর ইসলাম রিপন, মিনহাজ, খোরশেদ, নাবীল, মোনা, মোস্তা ছাত্রদল নেতা রিমন, পবন সরকার জীয়া পরিষদ নেতা অধ্যাপক নজমল প্রমূখ। 


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ সারা দেশে ২০ দলের ডাকা অবরোধ ও হরতাল চলাকালে মঙ্গলবার বগুড়ার গাবতলীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ২০ দলিয় ঐক্যজোট। উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল মজিদ, সাবেক ভাইচ চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি মন্ডল ফিরোজ, বিএনপি নেতা ওবাইদুল হক ফটু, আশরাফ, মফিদুল ,রঞ্জু, মতি, আতিক, তপন, মিজু, ভোটে,মুঞ্জু, মামুন, হিরু, হাজি রহিম যুবদল নেতা  নজরুল ইসলাম, মিনহাজ, মিলু, খোরশেদ, মোস্তাফিজার  ছাত্রদল নেতা রুহিন,  লেমন, আশরাফুল, সুজন,আপেল,পবন সরকার  জীয়া পরিষদ নেতা নজমল সোনারায় ইউনিয়ন মৎসজীবি দলের সভাপতি বিলেট বাবু প্রমূখ।


গাবতলী( বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বিশ্ব বন্যপ্রানী সংরক্ষণ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বগুড়ার গাবতলীতে উপজেলা বন্যপ্রানী সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজেদা ইয়াছমিন এর উপস্থিতিতে র‌্যালীতে অংশ নেন গাবতলী মডেল থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, তদন্ত কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার হুমায়ন আলম চান্দু , প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আনিছুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবর রহমান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ফজলে রাব্বী ( রতন) সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগাঠনিক সম্পাদক মাসুম হাসান, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক আমিনুল আকন্দ, সদস্য নজরুল ইসলাম, টুটুন প্রমূখ।


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গতকাল বগুড়া গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদেও ২০৫ দুস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরন সুষ্ঠভাবে করা হয়েছে। সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রাঙ্গার ব্যবস্থাপনায় চাল বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন গাবতলী উপজেলা রিলিফ অফিসার রফিকুল ইসলাম। এসময় ইউপি সচিব তৌহিদুর রহমান, ইউপি সদস্যা নাজমা আকতার, হাসিনা বেগম,আক্তার জাহান, ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম,আনিছার রহমান,আব্দুর রশিদ মুননু, ইসমাইল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, উপসহকারী কর্মকর্তা হামিদুর রহমান, সমাজসেবক আব্দুর রশিদ, মটু মিয়া,সাকিল,বাদশা,মুক্তার,শাহআলমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ গত ১৭ মার্চ  বগুড়ার গাবতলীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ৯৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে কেক কাটা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমান্ডার হুমায়ন আলম চান্দু, ডেপুটি কমান্ডার মাহবুবর রহমান মোতাহার, সহকারী কমান্ডার আয়েন উদ্দিন, আব্দুস সামাদ, আব্দুল মান্নান, বজলার রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সোহেল রানা, রায়হানুল হক স্বপন, আমিনুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, লিটন, রবিউল ইসলাম প্রমূখ।



গাবতলী(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নেপালতলীর জাতহলিদা হাফেজিয়া ও দাখিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কল্পে আয়োজিত তাফসীরুল কোরআন মাহফিল ৭ মার্চ মাদ্রাসা ময়দানে আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শফিকুল ইসলাম শফিক। বিশেষ অতিথি হিসাবে আলহাজ্ব আইয়ুব সিদ্দিক তকি সরকার, আনোয়ারুত তারিক মোহম্মদ, রফিকুল ইসলাম, নাহারুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম, অত্র মাদ্রাসার সহসভাপতি জোনাব আলী মন্ডল, সাধারন সম্পাদক ডা.আজাদ সোবহান মোস্তা, ক্বারী আব্দুস সোবহান, তপন মাহমুদ তপন, কোরআন থেকে তাফসির করেন আব্দুল হালিম, আমজাদ হোসেন রাশেদী ও মাহবুবুর রহমান তুফানী প্রমুখ।


গাবতলী( বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার গাবতলীতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন পালন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজেদা ইয়াসমীন। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুরাইয়া জেরীন রনি, পুষ্ঠি কর্মকর্তা মফিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আশরাফ আলী, উষার নির্বাহী পরিচালক ফজলুল হক বাবলূ, খন্দকার কল্যাণ  এর নির্বাহী পরিচালক রহিম উদ্দিন খন্দকার প্রমূখ।


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়া গাবতলী শহীদ জিয়া মডেল কলেজে এডহক কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ও স্বাক্ষর জাল করে অভিভাবক সদস্য মনোনিত করায় তোলপারের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে ১২৪৩ নম্বর স্বারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে সোনাকানিয়া গ্রামের মৃত আফছার আলী ছেলে শহীদ জিয়া মডেল কলেজের একাদশ মানবিক রোল ৪০ ছাত্রী তাহেরা খাতুনের অভিভাবক হিসাবে তোজ্জামেল হোসেনের নাম এডহক কমিটিতে অন্তরভুক্ত করতে শিক্ষা বোর্ডে পঠানো হয়। সে মোতাবেক এডহক কমিটিতে তোজ্জামেল হোসেন অভিভাবক সদস্য মনোনিত হয়ে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে ব্যাপক তোলপার সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে অত্র মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল হক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মাধ্যম করে কলেজ পরিদর্শক বরাবর ও গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নিতে পত্র দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজেদা ইয়াসমীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান প্রেরিত স্বারকটি আমার দপ্তরের নয়। স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ আমাকে অবহিত করলে আমি তার ব্যাবস্থা নিব।


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ দেশ ব্যাপী ২০ দলের ডাকা অবরোধ ও হরতাল চলাকালে গতকাল রবিবার বগুড়ার গাবতলীতে মিছিল বের করে ২০ দলিয় ঐক্যজোট। বিএনপির সিনিয়র নেতা আবুল হোসেন মোল¬ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা ওবাইদুল হক ফটু, উপজেলা মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান সুরাইয়া জেরীন রনি, রঞ্জু, জাহিদ,মতি, টিপু মোমিন, আশরাফ, তপন, মুঞ্জু, মামুন, আলমগীর, হিরু, ইস্রারাফিল, হাজি যুবদল নেতা মিনহাজ, মিলু, খোরশেদ, নজরুল,  মোস্তাফিজার  ছাত্রদল নেতা রুহিন,  লেমন, আশরাফুল, পবন সরকার  শ্রমীক নেতা টিটু, বাবুল  সোনারায় ইউনিয়ন মৎসজীবি দলের সভাপতি বিলেট বাবু প্রমূখ। অপর দিকে  পৃথক আর একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শেষে সমাবেশ থানা বিএনপির সভাপতি আমিনুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষিঠত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আতোয়ার রহমান বিএনপি নেতা  খলিল, আলম, মতি, মিন্টু, ছামসুল, যুবদল নেতা তাজুল, রায়হান, নোভেল, আনিছার, শফিকুল ছাত্রদল নেতা তাজুল, শাওন, কনক, রাহাদ, সেচ্ছাসেবকদল নেতা শাহিদুল, নুরুল¬¬াহ, রয়দুল, খালেক, কামরুল, ওমর ফারুক, হাসেন প্রমূখ।


গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের মাস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাংক এশিয়া পীরগাছা এজেন্ট শাখা কতৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পীরগাছা ইউনিটের সভাপতি সাংবাদিক আতাউর রহমান গ্রামবাংলা মফস্বলের বহুল সমস্যা, সম্ভবনা, বিলুপ্তিকৃত স্থাপত্য,কৃষি ভিত্তিক সংবাদ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ করায় সাধারন মানুষ সে সব বিষয়ে জানতে পেরেছে। স্মপৃতি এক অনুষ্ঠানে মফস্বল সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় ব্যাংক এশিয়া  পীরগাছা ,এজেন্ট শাখার পক্ষে ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোফসসার আহম্মেদ লিটন তাকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে দৈনিক দুরন্ত সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক স্বপ্না তালুকদার, বগুড়া টাইমস২৪.কম এর চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ,দৈনিক প্রভাতের আলো পত্রিকার ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক হারুনার রশিদ তালুকদার, গাবতলী উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল মজিদ,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পীরগাছা ইউনিটের উপদেষ্টা সদস্য এম এ রশিদ, রামেশ্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষন ইবনে রেজা মামুনার রশিদ, সাংবাদিক আব্দুল বাছেত,আমিনুল ইসলাম আকন্দ, সাইদুর রহমান সাজু, এসআই সুমন,মোজাফফর রহমান,আব্দুল বারী,ফজলুল হক,আজিজুল হক বিপুল,এসআই আকাশসহ সমাজের বিভিন্ন পর্যারের শুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


গাবতলী(বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার গাবতলীর মলিয়ানডাঙ্গা ফাইন সুলতান খেলাঘড়ের উদ্যোগে শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বাজার খেলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় পুরুস্কার বিতরণ জননেতা নুর উদ্দিন বুলুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্সের ডিজিএম জহিরুল ইসলাম বাদশা, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমামখেলাঘড়ের প্রধান  উপদেষ্টা ্ফাইন সুলতান, মোজাম্মেল হক মোজাম, জহুরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, ইমরান হাসান, নিশান,চনচল, সাজেদুল ইসলাম সাদেক প্রমুখ। খেলায় মহিষাবান ডিসিএল ক্লাব জয় লাভ করে।


গাবতলী(বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার গাবতলীকে এসএসসি দাখিল পরিক্ষা কেন্দ্র পরির্দশন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজেদা ইয়াছমীন সময় উপস্থিত ছিলেন মডেল থানার ওসি রিয়াজ উদ্দীন আহম্মেদ, উপজেলা পুষ্টি কর্মকর্তা মফিদুল ইসলাম প্রমূখ। ইউএনও উপজেলার গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় , সরকারী বালিকা বিদ্যালয়, গাবতলী আলিম মাদ্রাসা, কাগইল নায়েব উদ্দিন আলিম মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন পরিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

==বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী ==  দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। একজন ঈমানদার মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম থাকা অপরিহার্য। দেশপ্রেম ও সততা শব্দ দুটি একে অন্যের পরিপূরক। যে দেশপ্রেমিক সে অবশ্যই সত্। আবার যে ব্যক্তি সত্ তার মধ্যে অবশ্যই দেশপ্রেম আছে। একজন প্রকৃত নেতার মধ্যে অনেক গুণাবলী থাকা আবশ্যক। তার মধ্যে দেশপ্রেম ও সততা অন্যতম। সততা ও দেশপ্রেমের কারণেই শহীদ জিয়া আমাদের প্রিয় নেতা ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। আমাদের বিশ্বাস, জিয়াউর রহমানের যে কট্টর সমালোচক, সেও জিয়াউর রহমানের সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে কটূক্তি করতে পারবে না। সততা ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আপসহীন এই মহান নেতা দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় অবস্থান করে নিয়েছেন। জিয়াউর রহমানের স্কুলজীবন শুরু হয় কলকাতায় ‘হেয়ার স্কুলে’। ১৯৫২ সালে তিনি দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন করাচিতে ‘করাচি একাডেমি স্কুল’ (বর্তমানে, তাইয়েব আলী আলভী একাডেমী) থেকে। ম্যাট্রিক পাসের পর তিনি ভর্তি হন করাচির ‘ডি জে কলেজে’। ১৯৫৩ সালে ‘পাকিস্তান সামরিক একাডেমি’তে একজন অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি ছিলেন ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের ‘বেদীয়ান’-এ যুদ্ধরত ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’-এর একটি ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ডার। তার কোম্পানির নাম ছিল ‘আলফা কোম্পানি’ এই ব্যাটালিয়নে এবং জিয়ার আলফা কোম্পানির যুদ্ধে প্রচুর বীরত্ব দেখায়। অর্জন করে প্রভূত সুনাম। ১৯৬৯ সালের এপ্রিলে জিয়াউর রহমান ঢাকার অদূরে জয়দেবপুর সাব-ক্যান্টনমেন্টে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নে সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে যোগদান করেন। একই বছর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি চার মাসের মেয়াদে পশ্চিম জার্মানি যান। ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম বদলি করা হয়। নিযুক্ত হন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের সেকেন্ড ইন কমান্ড। এর ঘাঁটি ছিল ষোলশহর বাজারে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে যখন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তখন জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।  পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যদি যুদ্ধে জয়লাভ করত তাহলে জিয়াউর রহমানকে ফাঁসিতে ঝুলতে হতো। জিয়াউর রহমান এমন একজন নেতা ছিলেন যিনি দেশের সব দুর্যোগ ও সঙ্কটময় মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান দেশের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মানুষের মৌলিক চাহিদার বাস্তবায়ন। কিন্তু স্বাধীনতার পর যখন দেশবাসী দেখতে পেল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি সোনার হরিণ নামের গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করা হয়েছে, তখন জিয়াউর রহমানের হাতেই ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দলবিধির অধীনে আওয়ামী লীগ, জাসদ, ন্যাপ (ভাসানী), ন্যাপ (মোজাফফর), জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (কমরেড মণি সিংহ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করার সুযোগ পেল। সেই কারণেই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে তিনি সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছিলেন। এই জিয়াউর রহমানই প্রথম আমাদের স্বাধীন জাতিসত্তার পরিচয়ে বিশ্বে পরিচিত করেছিলেন তার ঐতিহাসিক দর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে। আমরা জাতি হিসেবে বাঙালি নয়, বাংলাদেশী। পশ্চিম বাংলার জনগোষ্ঠীও তো বাঙালি। জাতীয়তা যদি বাঙালি হয় তাহলে বাংলাদেশ যে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ তা বিশ্ববাসী বুঝতে অক্ষম হবে। জিয়াউর রহমান মূলত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শনের ভিত্তিতে সব ধর্মের, সব বর্ণের, সব মতের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর বিশ্বে বাংলাদেশ যে তলাবিহীন ঝুড়ির খেতাব পেয়েছিল, তার দুর্নাম ঘোচাতে তিনি শক্তহাতে দেশের হাল ধরেছিলেন। সামরিক উর্দি খুলে জনগণের কাছাকাছি পৌঁছতে পেরেছিলেন। বন্যা ও খরা থেকে বাঁচার জন্য এবং জমিতে সেচ প্রদানের জন্য তিনি খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। ফারাক্কার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি এন্টি ফারাক্কার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তার সময়ে সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে প্রকট খাদ্য ঘাটতির দেশ হয়ে ওঠে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। জিয়াউর রহমানের সময়ই এদেশ থেকে চাল রফতানি করা হয়েছিল বিদেশে। তার সময় বন্ধ কল-কারখানা সচল হয়। কল-কারখানা, অফিস-আদালত ও ক্ষেত-খামারে সর্বক্ষেত্রেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। দেশের জনগণ সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ অনুভব করতে শুরু করে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ গড়ার জন্য। নিজে হাতে খাল কেটেছেন, গাছ লাগিয়েছেন, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে এমন দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অতুলনীয়। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমান। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণ করেছেন। মেধার স্বীকৃতি, লালন ও বিকাশের জন্য তার পদক্ষেপ ছিল প্রশংসনীয়। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের নিয়ে নৌবিহার করেছেন, তাদের সঙ্গ দিয়েছেন ও দেশের জন্য তাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। পররাষ্ট্রনীতিতেও জিয়াউর রহমান সফল ছিলেন। সব বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ছিল তার পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য। ১৯৮১ সালে তৃতীয় ইসলামী শীর্ষ সম্মেলনে ৩ সদস্যবিশিষ্ট আলকুদস কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। ইরাক-ইরান যুদ্ধাবসানের উদ্দেশ্যে গঠিত নয় সদস্যবিশিষ্ট ইসলামী শান্তি মিশনে তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুসলিম বিশ্বের একজন জনপ্রিয় নেতা। তার সময়েই বাংলাদেশ ১৯৭৮ সালে জাপানের মতো শক্তিধর দেশকে পরাজিত করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে। তিনি বাংলাদেশের মানুষের মহামুক্তির সনদ ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং এই ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি গঠন করেন। দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই সময়টুকু পাননি। যারা এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অপছন্দ করত, জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তাকে ঈর্ষা করত, এদেশ বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক যারা তা চাইত না, সেই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর ইশারায় কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা এদেশের জনপ্রিয় প্রাণপ্রিয় নেতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে ঘাতকের তপ্ত বুলেট তার হৃদস্পন্দন স্তব্ধ করে দিল। সাদামাটা প্রকৃতির মানুষ ছিলেন তিনি। পোশাক-পরিচ্ছেদ ও আহারে তার কোনো বিলাসিতা ছিল না। তিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দুই পুত্র, আত্মীয়স্বজনকে এদেশের মানুষ খুব একটা চিনতেন বলে মনে হয় না। তার দুই পুত্র লেখাপড়া করতো সাধারণ মানের স্কুলে। তার মৃত্যুর পর নিজস্ব সম্পদ হিসেবে তার পরিবার-পরিজনের জন্য কিছুই রেখে যেতে পারেননি। এমন কি তার পরিবারের মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। তত্কালীন সরকার মানবিক কারণে বর্তমান ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসভবনটি বেগম খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেয়। যে বাড়ি থেকে জিয়া পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সততার এই উদাহরণ বর্তমান বিশ্বে বিরল। আসলে জিয়াউর রহমান সততা ও দেশপ্রেমের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক কালজয়ী মহান নেতা। একটি জাতি গঠন ও দেশকে উন্নয়নের চরম শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন সত্ ও দেশপ্রেমিক নেতাই যথেষ্ট। আমরা মনে করি জীবিত জিয়ার চেয়ে মৃত জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী। জিয়াউর রহমান আজ বেঁচে নেই, কিন্তু আছে তার রেখে যাওয়া ১৯ দফা কর্মসূচি, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শন, তার সততা, দেশপ্রেম, জনগণের ভালোবাসা, তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি। আরও আছে তার যোগ্য উত্তরসূরি ও তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন, জনগণের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই আগামী দিনে দেশপ্রেমিক জিয়ার সব আদর্শ, ভাবনা, চিন্তা ও উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে যা শহীদ জিয়ার স্বপ্ন ছিল। 
চেতনা বার্তা ডেস্কঃ দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। একজন ঈমানদার মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম থাকা অপরিহার্য। দেশপ্রেম ও সততা শব্দ দুটি একে অন্যের পরিপূরক। যে দেশপ্রেমিক সে অবশ্যই সত্। আবার যে ব্যক্তি সত্ তার মধ্যে অবশ্যই দেশপ্রেম আছে। একজন প্রকৃত নেতার মধ্যে অনেক গুণাবলী থাকা আবশ্যক। তার মধ্যে দেশপ্রেম ও সততা অন্যতম। সততা ও দেশপ্রেমের কারণেই শহীদ জিয়া আমাদের প্রিয় নেতা ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। আমাদের বিশ্বাস, জিয়াউর রহমানের যে কট্টর সমালোচক, সেও জিয়াউর রহমানের সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে কটূক্তি করতে পারবে না। সততা ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আপসহীন এই মহান নেতা দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় অবস্থান করে নিয়েছেন। জিয়াউর রহমানের স্কুলজীবন শুরু হয় কলকাতায় ‘হেয়ার স্কুলে’। ১৯৫২ সালে তিনি দ্বিতীয় বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন করাচিতে ‘করাচি একাডেমি স্কুল’ (বর্তমানে, তাইয়েব আলী আলভী একাডেমী) থেকে। ম্যাট্রিক পাসের পর তিনি ভর্তি হন করাচির ‘ডি জে কলেজে’। ১৯৫৩ সালে ‘পাকিস্তান সামরিক একাডেমি’তে একজন অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি ছিলেন ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের ‘বেদীয়ান’-এ যুদ্ধরত ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’-এর একটি ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ডার। তার কোম্পানির নাম ছিল ‘আলফা কোম্পানি’ এই ব্যাটালিয়নে এবং জিয়ার আলফা কোম্পানির যুদ্ধে প্রচুর বীরত্ব দেখায়। অর্জন করে প্রভূত সুনাম। ১৯৬৯ সালের এপ্রিলে জিয়াউর রহমান ঢাকার অদূরে জয়দেবপুর সাব-ক্যান্টনমেন্টে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নে সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে যোগদান করেন। একই বছর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি চার মাসের মেয়াদে পশ্চিম জার্মানি যান। ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম বদলি করা হয়। নিযুক্ত হন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের সেকেন্ড ইন কমান্ড। এর ঘাঁটি ছিল ষোলশহর বাজারে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে যখন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তখন জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যদি যুদ্ধে জয়লাভ করত তাহলে জিয়াউর রহমানকে ফাঁসিতে ঝুলতে হতো। জিয়াউর রহমান এমন একজন নেতা ছিলেন যিনি দেশের সব দুর্যোগ ও সঙ্কটময় মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান দেশের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মানুষের মৌলিক চাহিদার বাস্তবায়ন। কিন্তু স্বাধীনতার পর যখন দেশবাসী দেখতে পেল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি সোনার হরিণ নামের গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করা হয়েছে, তখন জিয়াউর রহমানের হাতেই ১৯৭৬ সালে রাজনৈতিক দলবিধির অধীনে আওয়ামী লীগ, জাসদ, ন্যাপ (ভাসানী), ন্যাপ (মোজাফফর), জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (কমরেড মণি সিংহ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করার সুযোগ পেল। সেই কারণেই জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে তিনি সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছিলেন। এই জিয়াউর রহমানই প্রথম আমাদের স্বাধীন জাতিসত্তার পরিচয়ে বিশ্বে পরিচিত করেছিলেন তার ঐতিহাসিক দর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে। আমরা জাতি হিসেবে বাঙালি নয়, বাংলাদেশী। পশ্চিম বাংলার জনগোষ্ঠীও তো বাঙালি। জাতীয়তা যদি বাঙালি হয় তাহলে বাংলাদেশ যে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ তা বিশ্ববাসী বুঝতে অক্ষম হবে। জিয়াউর রহমান মূলত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শনের ভিত্তিতে সব ধর্মের, সব বর্ণের, সব মতের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর বিশ্বে বাংলাদেশ যে তলাবিহীন ঝুড়ির খেতাব পেয়েছিল, তার দুর্নাম ঘোচাতে তিনি শক্তহাতে দেশের হাল ধরেছিলেন। সামরিক উর্দি খুলে জনগণের কাছাকাছি পৌঁছতে পেরেছিলেন। বন্যা ও খরা থেকে বাঁচার জন্য এবং জমিতে সেচ প্রদানের জন্য তিনি খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। ফারাক্কার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি এন্টি ফারাক্কার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তার সময়ে সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে প্রকট খাদ্য ঘাটতির দেশ হয়ে ওঠে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। জিয়াউর রহমানের সময়ই এদেশ থেকে চাল রফতানি করা হয়েছিল বিদেশে। তার সময় বন্ধ কল-কারখানা সচল হয়। কল-কারখানা, অফিস-আদালত ও ক্ষেত-খামারে সর্বক্ষেত্রেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। দেশের জনগণ সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ অনুভব করতে শুরু করে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ গড়ার জন্য। নিজে হাতে খাল কেটেছেন, গাছ লাগিয়েছেন, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে এমন দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অতুলনীয়। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমান। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণ করেছেন। মেধার স্বীকৃতি, লালন ও বিকাশের জন্য তার পদক্ষেপ ছিল প্রশংসনীয়। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের নিয়ে নৌবিহার করেছেন, তাদের সঙ্গ দিয়েছেন ও দেশের জন্য তাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। পররাষ্ট্রনীতিতেও জিয়াউর রহমান সফল ছিলেন। সব বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ছিল তার পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য। ১৯৮১ সালে তৃতীয় ইসলামী শীর্ষ সম্মেলনে ৩ সদস্যবিশিষ্ট আলকুদস কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। ইরাক-ইরান যুদ্ধাবসানের উদ্দেশ্যে গঠিত নয় সদস্যবিশিষ্ট ইসলামী শান্তি মিশনে তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন মুসলিম বিশ্বের একজন জনপ্রিয় নেতা। তার সময়েই বাংলাদেশ ১৯৭৮ সালে জাপানের মতো শক্তিধর দেশকে পরাজিত করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে। তিনি বাংলাদেশের মানুষের মহামুক্তির সনদ ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং এই ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি গঠন করেন। দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই সময়টুকু পাননি। যারা এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অপছন্দ করত, জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তাকে ঈর্ষা করত, এদেশ বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক যারা তা চাইত না, সেই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর ইশারায় কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা এদেশের জনপ্রিয় প্রাণপ্রিয় নেতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে ঘাতকের তপ্ত বুলেট তার হৃদস্পন্দন স্তব্ধ করে দিল। সাদামাটা প্রকৃতির মানুষ ছিলেন তিনি। পোশাক-পরিচ্ছেদ ও আহারে তার কোনো বিলাসিতা ছিল না। তিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দুই পুত্র, আত্মীয়স্বজনকে এদেশের মানুষ খুব একটা চিনতেন বলে মনে হয় না। তার দুই পুত্র লেখাপড়া করতো সাধারণ মানের স্কুলে। তার মৃত্যুর পর নিজস্ব সম্পদ হিসেবে তার পরিবার-পরিজনের জন্য কিছুই রেখে যেতে পারেননি। এমন কি তার পরিবারের মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। তত্কালীন সরকার মানবিক কারণে বর্তমান ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসভবনটি বেগম খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেয়। যে বাড়ি থেকে জিয়া পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সততার এই উদাহরণ বর্তমান বিশ্বে বিরল। আসলে জিয়াউর রহমান সততা ও দেশপ্রেমের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক কালজয়ী মহান নেতা। একটি জাতি গঠন ও দেশকে উন্নয়নের চরম শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন সত্ ও দেশপ্রেমিক নেতাই যথেষ্ট। আমরা মনে করি জীবিত জিয়ার চেয়ে মৃত জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী। জিয়াউর রহমান আজ বেঁচে নেই, কিন্তু আছে তার রেখে যাওয়া ১৯ দফা কর্মসূচি, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শন, তার সততা, দেশপ্রেম, জনগণের ভালোবাসা, তার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি। আরও আছে তার যোগ্য উত্তরসূরি ও তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন, জনগণের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই আগামী দিনে দেশপ্রেমিক জিয়ার সব আদর্শ, ভাবনা, চিন্তা ও উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে যা শহীদ জিয়ার স্বপ্ন ছিল।

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget