ক্যাটাগরি "তথ্য প্রযুক্তি"

মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন থেকে নিজেদের এগিয়ে রাখতে প্রতিদিনই নতুন নতুন আপডেট নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ। সম্প্রতি নতুন ফিচার আনার মধ্যেও আবারো পরিবর্তন এনেছে অ্যাপটি। এবারের নতুন আপডেটে থাকছে বেশ কিছু পরিবর্তন। তবে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার দিকটি মাথায় রেখেই এই আপডেট আনা হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপ
নতুন ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ
এই ফিচারে ব্যবহারকারীদেরে গোপনীয়তাও রক্ষা করা হবে। সীমিত সংখ্যক বিটা ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপ্ট করা এই আপডেট পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে এবারে সব ব্যবহারকারী এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন এমনটাই জানানো হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপেও এবার ফটো এবং ভিডিওর ক্ষেত্রে ‘অদৃশ্য’ ফিচারটি থাকছে। সমস্ত ব্যবহারকারীদের কাছে একটি নতুন ‘ভিউ ওয়ান’ ফিচার রাখা হচ্ছে। এর সুবিধা হল, হোয়াটসঅ্যাপ iOS এবং Android-এ ছবির জন্য একটি ভিউ ওয়ানস মোড থাকবে। মঙ্গলবার একটি ব্লগ পোস্টে, ফেসবুক নতুন এই ফিচারটি সম্পর্কে জানিয়েছে। ফোনে স্টোরেজ সমস্যা মেটাতে এবং কিছু তথ্য সুরক্ষিত ও গোপন রাখতেই এই আপডেট। হোয়াটসঅ্যাপে প্রচুর ছবি ও ভিডিও আসার কারণে ফোনে স্টোরেজ কমতে শুরু করে। স্টোরেজ ম্যানেজমেন্টের সমাধানের জন্য এবার অ্যাপে ‘disappearing images’ অপশনটি রাখতে পারবেন আপনি। সেক্ষেত্রে ‘View Once’ করলে আপনি একবার ছবিটি দেখার পরই তা অদৃশ্য হয়ে যাবে সার্ভার থেকেই। স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারের মতোই একই নিয়ম এক্ষেত্রেও। চটজলদি গুরুত্বপূর্ণ অথচ গোপন কোনো ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে হোয়াটসঅ্যাপ ক্যামেরায় ক্লিক করে ছবি বা ভিডিও তুলুন। এরপর (1) আইকনে ক্লিক করুন। একবার পাঠানোর পর আপনি আর সেটি দেখতে পারবেন না। আবার যাকে পাঠালেন তিনিও একবার দেখার পর সেই মেসেজটি অদৃশ্য হয়ে যাবে। খুব শিগগিরই এই আপডেট আসতে চলেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ পেগাসাস কেলেঙ্কারির পরে নরেচরে বসেছে সমগ্র বিশ্ব। অনেকেই বলছেন তথ্য-প্রযুক্তির এই অবাধ উন্নয়ন এখন আর কেবল ইতিবাচক নয়। দেখা দিয়েছে একটি নেতিবাচক আতঙ্ক হয়ে। বিশ্বের বাঘা বাঘা রাজনৈতিক সেলিব্রেটিদের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে তৃতীয় পক্ষের কাছে। নিজের অজান্তেই ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড, কথোপকথন, ছবি, ভিডিও এবং ফোনালাপের তথ্য চলে যাচ্ছে অন্য কারো হাতে। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন কিংবা উপায়ও বা কি এমন অনাকাঙ্ক্ষিত



আড়িপাতা সফটওয়্যারটি কতটুকু আপনার তথ্য হাতিয়ে নিতে পারছে তা নির্ভর করে দুটি জিনিসের উপরে।একটি হচ্ছে সফটওয়্যারটির কার্যক্ষমতা আর অন্যটি হচ্ছে আপনি কতটুকু সতর্ক এ বিষয়ে। সফটওয়্যারের কার্যক্ষমতার উপরে যদিওবা হাত নেই কিন্তু নিজেকে সতর্ক রাখার সবটুকু চেষ্টা করতে ত্রুটি রাখা উচিত নয়। ব্যক্তিগত সতর্কতার মাধ্যমেই আড়িপাতা এবং নজরদারি থেকে নিজের একান্ত ব্যক্তিগত জীবনকে নিরাপদ রাখা সম্ভব।

কিভাবে বুঝবেন কেউ আপনার ফোনে আড়িপাতছে কিংবা নজরদারি করছে আপনার উপরে?

১। প্রথমেই যে সমস্যাটির মুখোমুখি হবেন তা হচ্ছে মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ নিয়ে। কেউ আপনার মোবাইলের উপরে নজরদারি করলে অতি দ্রুত কিংবা অন্য সময়ের থেকে দ্রুততর সময়ে মোবাইলের চার্জ শেষ হবে। এখানেই শেষ নয়। মোবাইল চালানোর সময় অনুভব করবেন আপনার মোবাইল অন্য সময়ের তুলনায় স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হচ্ছে।

২। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এমন অ্যাপের অস্তিত্ব টের পাবেন যা কিনা আপনি ইন্সটল করেন নি কিংবা আগে আপনার মোবাইলে ছিলো তাও আপনার নজরে আসেনি।

৩। আপনি যদি আপনার ডাটা ইউজ অর্থাৎ কতটুকু ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন তা অবগত থাকেন, তাহলে দেখবেন অন্য সময়ের থেকে বেশি ডাটা ইউজ হচ্ছে। ডাটা ইউজের এই হিসাবটি আপনি মিলাতে পারবেন না।

৪। হঠাৎ করেই আপনার মোবাইল ফোনটি অদ্ভূতুরে আচরণ করতে পারে। নিজ থেকে অন্য অ্যাপে চলে যাওয়া কিংবা আপনি একটি অ্যাপ চালাচ্ছেন সেটা বন্ধ হয়ে নিজের মতো অপশনে ঢুকে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটতে পারে যদি আপনার ফোন নজরদারিতে থাকে।

৫। আপনার ব্রাউজিং হিস্টোরি ঘেটে আপনি এমন কিছু ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের ইতিহাস পেতে পারেন যা কিনা আপনি ব্রাউজ করেন নি। এমন অবস্থায় বুঝে নিতে হবে আপনার অজান্তেই অন্য কেউ আপনার মোবাইলটি ব্যবহার করছে।

৬। মোবাইলে কথা বলার সময় অদ্ভূত কারো উপস্থিতি, শব্দ, যান্ত্রিক আওয়াজ পেতে পারেন যা কিনা আপনার সঙ্গীর থেকে আসছে না। এমন অবস্থায় বুঝতে হবে তৃতীয় পক্ষের কেউ আপনার কথোপকথনটি শুনছে কিংবা আপনার কল রেকর্ড হচ্ছে।
মনে রাখতে হবে তৃতীয় পক্ষের কেউ আপনার মোবাইলের উপর নজরদারি করলে সে কিছু না কিছু চিহ্ন ফেলে যাবে এবং সেটা ধরেই আপনাকে যথাসম্ভব সাবধান হতে হবে।

কিভাবে সাবধান হবেন?

১। আপনি যদি শতভাগ নিশ্চিত হোন যে কেউ আপনার উপর নজরদারি করছে, তাহলে আপনার মোবাইলটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে পারেন। এতে করে মোবাইলে থাকা স্পাই অ্যাপটি ডিলিট হয়ে যাবে। তবে মনে রাখতে হবে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে স্পাই অ্যাপের সাথে আপনার অন্য সকল ডাটাও মুছে যাবে।

২। আপনার ডিভাইসটির সফটওয়্যারগুলো নিয়মিত আপডেট দিয়ে রাখুন। আনআপডেটেড অ্যাপের উপর নজরদারি করা তুলনামূলক সহজ বলে গণ্য করা হয়।

৩। অ্যাপ লিস্টে গিয়ে অপরিচিত এবং অপ্রয়োজনীয় কোন অ্যাপ দেখতে পেলে সেটি সঙ্গে সঙ্গে ডিলিট করে দিন।

৪। শক্তিশালী কোন এন্টি-ভাইরাস অ্যাপ ব্যবহার করুন। ধারণা করা হয় এন্টি-ভাইরাস অ্যাপ মোবাইলে স্পাই অ্যাপের উপস্থিতি জানিয়ে দিতে সক্ষম।

৫। আপনার ফোনের পাসওয়ার্ড এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টকে শক্তিশালী করুন। একান্ত ব্যক্তিগত কাজ করার সময় মোবাইল ক্যামেরা কিংবা ওয়েব ক্যাম প্রয়োজন না হলে কিছু একটা দিয়ে ঢেকে রাখুন।
আপনি স্পাই অ্যাপ নিয়ে সাবধান হলে অনেকাংশেই ঝুঁকি কমিয়ে আনা সক্ষম বলে মনে করে টেক বিশেষজ্ঞরা।


ডেস্কঃ বগুড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম সাদিয়া (৪) ও ইউসুফ (৫)। সাদিয়া ওই এলাকার আসাদুলের মেয়ে ও ইউসুফ মতিয়ার রহমানের ছেলে।

সোনাতলা উপজেলার পূর্ব তেকানী গ্রামে সোমবার এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পরে তাদের মরদের পুকুর থেকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।


স্থানীয়রা জানায়, সোমবার দুপুরে নিখোঁজ হয় দুই শিশু। গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়রা বাড়ির পার্শ্বের পুকুর পাড়ে সাবানের কেস ও গামছা পরে থাকতে দেখেতে পায়। এরপর স্থানীয়রা পুকুরে থেকে ওই দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরিবারের কারও অভিযোগ না থাকায় মরদের তাদের কাছে নিয়ম মেনে হস্তান্তর করা হয়েছে।


তথ্য প্রযুক্তি ডেস্কঃ সামাজিকমাধ্যমের প্রফাইল পেজে কী রকম তথ্য আপনি শেয়ার করেন? নাম, অবস্থান, বয়স, কর্মস্থলের ভূমিকা, বৈবাহিক অবস্থা ও ছবি। কী পরিমাণ তথ্য মানুষ অনলাইনে শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তার মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। অধিকাংশ মানুষই মনে করেন, নিজেদের পাবলিক প্রফাইলে যা-কিছুই আমরা দিই না কেন; তা পাবলিক ডোমেনের বাইরে চলে যায়।


কিন্তু একজন হ্যাকার যদি আপনার সব তথ্যের ক্যাটালগ বা সুবিন্যস্ত তালিকা বানিয়ে লাখ লাখ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের বিশাল স্প্রেডশিটে তা নথিভুক্ত করে পরে কোনো সাইবার-অপরাধীর কাছে বিক্রি করে দেয়, তখন আপনার কেমন লাগবে?
বিবিসির খবর বলছে, গত মাসে নিজেকে টম লিনার বলে দাবি করা একজন হ্যাকারই এমনটিই করে দেখিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সত্তর কোটি লিংকডইন ব্যবহারকারীর তথ্যভাণ্ডারের ক্যাটালগ তৈরি করেছেন তিনি। পরে তা পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি করে দিচ্ছেন।


এ রকম বিভিন্ন ঘটনার পর সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত কিনা; তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একটি কুখ্যাত হ্যাকিং ফোরামে এই বিপুল তথ্যভাণ্ডার বিক্রি করতে পোস্ট দিয়েছেন লিনার।
হ্যাকারদের জন্য এটা সুসময় হলেও টম লিনার কোন টাইম জোনে বসবাস করেন, তারা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তিনি লিখেছেন, আমার কাছে ২০২১ সালের সত্তর কোটি লিংকডইন ব্যবহারকারীর তথ্য মজুদ আছে।
পোস্টের সঙ্গে লাখ লাখ নেটিজেনের তথ্যের একটি নমুনারও লিংক দেওয়া হয়েছে। এতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে অন্যান্য হ্যাকারদের আহ্বান জানিয়েছেন। এই বিপুলাকারের তথ্যভাণ্ডার তিনি বিক্রি করে দিতে চাচ্ছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

যৌক্তিকভাবেই এই ঘটনা হ্যাকিং জগতে সাড়া ফেলে দিয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে এভাবে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত কিনা; তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এখানে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়টি হলো—সামাজিক নেটওয়ার্কের ওয়েবসাইট কিংবা সার্ভারে ঢুকে এই তথ্যভাণ্ডার লুফে নেওয়া হয়নি। বরং সামাজিমাধ্যমে ব্যবহারকারীদের প্রফাইলে দেওয়া স্বাভাবিক প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়েই এই বিপুল স্প্রেডশিট তৈরি করা হয়েছে।
এসব তথ্য মজুদ করতে কয়েক জীবন লেগে যাওয়ার কথা থাকলেও হ্যাকাররা তা পারছেন। চলতি বছরে এ রকম আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে। গত এপ্রিলে ৫০ কোটি তথ্যের নথি বিক্রি করে দিয়েছেন আরেক হ্যাকার। আর এসব তথ্য নেওয়া হয়েছে পেশাজীবীদের সামাজিকমাধ্যম লিংকডইন থেকে।
ওই একই মাসে হ্যাকিং ফোরামে ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এর বিনিময়ে সেখানে অনুদান চেয়ে আহ্বান জানানো হয়েছে।


টম লিনার নামের ওই হ্যাকার বলেন, তিনি দিনের বেলায় একটি চাকরি করেন। হ্যাকিং হচ্ছে তার শখ। এটা তার পেশা না। ফেসবুক ও লিংকডইনের ব্যবহারকারীদের এসব তথ্য সংগ্রহ করতে তার কয়েক মাস লেগেছে। এটা খুবই জটিল কাজ বলেও জানান ওই হ্যাকার।
তিনি বলেন, আমাকে লিংকডইনের এপিআই হ্যাক করতে হয়েছে। ব্যবহারকারীদের তথ্যের জন্য একই সময়ে আপনি যদি অনেক বেশি রিকোয়েস্ট পাঠান, তবে এই সিস্টেম আপনাকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করে দেবে।


অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) হচ্ছে একগুচ্ছ ফাংশনের সমষ্টি। এটি একটি ইন্টারফেস। যা কোন কম্পিউটার, লাইব্রেরি অথবা অ্যাপলিকেশন অন্য অ্যাপ্লিকেশনকে বিভিন্ন সার্ভিস দেওয়ার লক্ষ্যে বা ডাটা বিনিময়ের জন্য প্রদান করে। সাধারণত সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক কোম্পানি এটি তৈরি করে। অন্য কোনো প্রোগ্রাম ওই সফটওয়্যারকে নিজেদের সঙ্গে একীভূত করতে চাইলে এপিআইয়ের মাধ্যমে করা সম্ভব।


লিংকডইনের এপিআই সফটওয়্যারকে ধোঁকা দিতে হ্যাকার টম লিনার এমন একটি উপায় খুঁজে পেয়েছেন, যাতে কোনো রকমের সন্দেহ ছাড়াই তিনি বিপুল তথ্য হাতিয়ে নিতে পারছেন।
তথ্যভাণ্ডার বিক্রির এই ঘটনা প্রথম আবিষ্কার করে ভিপিএন সংগ্রহকারী প্রাইভেসি শার্ক। এটি সামাজিকমাধ্যমে থাকা অবাধ তথ্যের নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। এতে ব্যবহারকারীর পূর্ণ নাম, ইমেইল ঠিকানা, লিঙ্গ, ফোন নম্বর ও কর্মস্থলের তথ্য পাওয়া গেছে।
লিংকডইন বলছে, টম লিনার এপিআই সিস্টেম ব্যবহার করেনি। তবে তথ্য বেহাত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে সামাজিকমাধ্যমটি।


কিন্তু কথা হচ্ছে, এসব তথ্যভাণ্ডার থেকে হ্যাকাররা অর্থ উপার্জন করছে। ফলে সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়ছে। এসওএস ইন্টেলিজেন্সসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আমির হাজিপাসিক বলেন, এভাবে বিপুল তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা হতাশাজনক। অধিকাংশ মানুষই চায় না, তাদের তথ্য পাবলিক ডোমেনে ছড়িয়ে পড়ুক। এ ক্ষেত্রে এপিআই সিস্টেম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দেন তিনি।


খারাপ কাজেও তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার হতে পারে বলে স্বীকার করেন টম লিনার। এ নিয়ে তার মধ্যে অস্বস্তিও রয়েছে। এরপরেও তিনি কেন এভাবে হ্যাকিং করে যাচ্ছে, তা বলেননি।

তথ্যপ্রযুক্তি বার্তাঃ চীনের টেক জায়ান্ট শাওমি করপোরেশন বিশ্বের দ্বিতীয় স্মার্টফোন উৎপাদনকারীর অবস্থানে উঠে এসেছে। এযাত্রায় তারা মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলকে পেছনে ফেলেছে। শাওমির চেয়ে বেশি স্মার্ট ফোন বাজারজাত করছে স্যামসাং।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরটি। যেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শাওমি স্মার্টফোনের বৈশ্বিক বাজারের ১৭ শতাংশ সরবারহ করছে, স্যমাসাং করছে ১৯ শতাংশ এবং অ্যাপলের দখলে আছে ১৪ শতাংশ বাজার।


গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক বেন স্ট্যানটন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, শাওমি আন্তর্জাতিক বাজারে খুব দ্রুত ব্যবসা বাড়াচ্ছে। তিনি তুলে ধরেছেন, শাওমি গতবছরের একই সময়ের তুলনায় ল্যাটিন আমেরিকায় ৩০০ শতাংশ এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে ৫০ শতাংশ বেশি বিক্রি করেছে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই শুক্রবার শেয়ারবাজারে চীনা প্রতিষ্ঠান শাওমির শেয়ারের দর বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। সাম্প্রতিককালে ৮৩ শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধির মাধ্যমে। যেখানে স্যামসাং এর বিক্রি বেড়েছে ১৫ শতাংশ আর অ্যাপল ফোনের বিক্রি বেড়েছে মাত্র ১ শতাংশ। এটাই শাওমিকে স্মার্টফোনের বাজারে দ্বিতীয় স্থান দখলে নিয়ে গেছে।
রোবটিক ক্লিনার থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক চা এর পাত্রের মতো ছোট খাট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শাওমির প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজারে দ্রুত উন্নতিতে দুটি বিশেষ স্মার্ট ফোন মডেল কাজ করেছে। যেগুলো চলতি বছরই তারা বাজারজাত শুরু করেছে। যার একটি হলো এমআই-১১ আল্ট্রা, এখন পর্যন্ত বাজারে আসা বড় ক্যামেরা সেন্সরগুলোর একটি  আছে এই স্মার্টফোনে। যা বাজারের অন্য ফোন থেকে শাওমির এ মডেলকে এগিয়ে রেখেছে ক্রেতাদের কাছে। পাশাপাশি দামের বিষয়তো আছেই। সমমানের বৈশিষ্ট্যের স্মার্টফোনের মধ্যে অ্যাপল ও স্যামসাং এর চেয়ে অনেক কম দামে মিলে শাওমির স্মার্টফোন।
বাজার গবেষণার তথ্য বলছে শাওমির ফোন অ্যাপলের চেয়ে ৭৫ শতাংশ এবং স্যামসাং এর চেয়ে ৪০ শতাংশ কমদামে পাওয়া যায়। এ কারণে শাওমি চলতি বছর তাদের তুলনামূলক দামি স্মার্টফোন এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি আরো বাড়াতে তৎপর হয়েছে। তবে, গবেষণা বলছে তাদের বাজার দখলের এ লড়াই খুব সহজও হবে না।  
এদিকে, শাওমি স্মার্ট ফোনের বাইরেও অন্য পণ্যের বাজার পরীক্ষা নীরিক্ষা করছে। বছরের প্রথম দিকে তারা ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারজাত শুরুর ঘোষণা দেয়। আগামি দশ বছরে শাওমি ১ হাজার কোটি ডলার নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনাও জানিয়েছে এরই মধ্যে।


তথ্যপ্রযুক্তিবার্তা ডেস্কঃ  গত বছর লকডাউন থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে জুম এবং গুগল মিট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জুম অ্যাপে দুইজনের বেশি সংযুক্ত হলে নির্দিষ্ট একটি সময় বেধে দেওয়া হয়। গুগল মিটে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না। কিন্তু এবার এই সুবিধাটি তুলে নিচ্ছে গুগল মিট। এখন থেকে গুগল মিটেও বিনামূল্যে কেবল একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মিটের সুবিধাসমূহ উপভোগ করা যাবে।


এখন থেকে গুগল মিটে বিনামূল্যে ৬০ মিনিট বা এক ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও কলের সুবিধা পাওয়া যাবে। যদি ভিডিও কলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা তিনজন বা তার বেশি হয় তাহলে ৬০ মিনিটের বেশি ভিডিও কনফারেন্স করা যাবে না।
এ ব্যাপারে গুগল বলছে, ভিডিও কলে ৫৫ মিনিট হয়ে যাওয়ার পর অংশগ্রহণকারীদের কাছে একটি নোটিফিকেশন যাবে যেখানে বলা হবে খুব শিগগিরই এই ভিডিও কলটি শেষ হতে চলেছে। ভিডিও কলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য যিনি ভিডিও কলের হোস্টকে জিমেইল অ্যাকাউন্টটি নতুন ভার্সনে আপডেট করতে হবে। অর্থাৎ ভিডিও কলে অংশগ্রহণকারী তিনজন বা তার বেশি হলে বিনামূল্যে ৬০ মিনিট পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্সটি চালিয়ে যাওয়া যাবে। তবে জুমের মতোই তবে ওয়ান অ্যান্ড ওয়ান কলে কোনো সময়সীমা থাকবে না। যে কোনো ফ্রি এবং পেইড জিমেইল ব্যবহারকারী ওয়ান-অন-ওয়ান ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত গুগল মিটে ভিডিও কলের সুবিধা পাবেন।
যদিও বাংলাদেশে এখনও গুগল মিটের নতুন নিয়ম চালু হয়নি। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, জাপান এবং মেক্সিকোতে এই নিয়ম চালু হয়েছে। এই পাঁচ দেশে ৬০ মিনিটের বেশি গুগল মিটে মিটিং করার জন্য মাসিক প্রায় ৮ ডলার দিতে হবে ব্যবহারকারীদের। আপগ্রেড করার পর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত গুগল মিটের মাধ্যমে মিটিং করা যাবে।


তথ্যপ্রযুক্তি বার্তা ডেস্কঃ        নতুন একটি ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে ইরান। অ্যাপটির মাধ্যমে নারী পুরুষ বিয়ে করার জন্য পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হবার সুযোগ পাবেন। এর লক্ষ্য হচ্ছে বিবাহিত দম্পতিদের বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী করা। কারণ, দেশটিতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার ক্রমশ বাড়ছে। এছাড়া শিশু জন্মের হারও কমে যাচ্ছে।

ইসলামিক এই অ্যাপের নাম হামদান। হামদান ফারসি শব্দ। এর অর্থ 'সঙ্গী'। ইসলামিক মূল্যবোধ প্রচারের লক্ষ্যে গঠিত ইসলামিক প্রোপাগান্ডা অর্গানাইজেশান নামে একটি সংস্থার উদ্যোগে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে।

দাবি করা হচ্ছে, এই অ্যাপটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে 'শুধু স্থায়ী বৈবাহিক সম্পর্কে আগ্রহী অবিবাহিত পুরুষদের' জন্য সঠিক জীবনসঙ্গী খুঁজে দেবে এবং একমাত্র স্ত্রী হবেন এমন পাত্রী খুঁজে দেবে।
ইরানে নারী ও পুরুষ সঙ্গী খোঁজার জন্য ডেটিং অ্যাপসগুলো বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এখন থেকে শুধু বৈধ ডেটিং অ্যাপ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে 'হামদান'।
হামদানের ওয়েবসাইট বলছে, অ্যাপ আগে ব্যবহারকারীদের পরিচয় যাচাই করা হবে এবং জীবনসঙ্গী খোঁজার কাজ শুরু করার আগে তাদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার পরীক্ষা দিতে হবে।
হামদান অ্যাপ যখন বিয়ে করতে আগ্রহী এমন পুরুষ ও নারী জীবনসঙ্গী খুঁজে পাবে যারা একে অন্যের জন্য উপযুক্ত, তখন ছেলে ও মেয়ের দুই পরিবারকে তারা একসঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এবং সেখানে উপস্থিত থাকবেন তাদের সংস্থার উপদেষ্টারা।

বিয়ের পর চার বছর তারা ওই বিবাহিত দম্পতির 'সঙ্গে সঙ্গে' থাকবে। হামদান অ্যাপটি তৈরি করেছে তেবিয়ান কালচারাল ইনস্টিটিউট।
তারা বলছে, এই অ্যাপ একটা সুস্থ পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরি করবে। তারা বলছে ইরানের শত্রু এবং শয়তানের হুমকির কারণে পরিবারগুলোতে ইসলামিক মূল্যবোধ এখন বিপন্ন।
নাগরিক তথ্য নথিভুক্ত করার জাতীয় সংস্থা ন্যাশানাল অর্গানাইজেশান ফর সিভিল রেজিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালের মার্চ এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ইরানে তিন লাখ সাত হাজার ৩০০ বিয়ে এবং ৯৯ হাজার ছয়শ বিবাহ বিচ্ছেদ নথিভুক্ত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget