ক্যাটাগরি "রাজনীতি"


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ মেধা-যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও একজন সরকারি চাকরিজীবী/কর্মকর্তা চাকরি জীবনের বেশির ভাগ সময় অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করবেন, আর একজন সব ভালো পোস্টিং এনজয় করবেন, তা হবে না। এক্ষেত্রে সমনীতি কার্যকর করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ক্যারিয়ার প্ল্যানিং উইংকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে মেধা-যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নসহ সমগ্র চাকরি জীবনে একটি ভারসাম্যের নীতি বহাল রাখাকে প্রাধান্য দিয়ে সরকারি প্রশাসনে পদায়ন নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। 

জানা গেছে, বদলি ও পদায়ন নীতিমালায় ভারসাম্যের নীতি প্রতিষ্ঠা করতে জেলা ও উপজেলাগুলোকে ৩ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে ‘ক’ শ্রেণির জেলা ২৫টি, ‘খ’ শ্রেণির ২০টি এবং ‘গ’ শ্রেণির ১৯টি। এভাবে উপজেলাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটি এজন্য করা হয়েছে, যেন কোনো কর্মকর্তাকে ঘুরেফিরে ৩ শ্রেণির জেলা-উপজেলায় পোস্টিং দেয়া যায়।

নীতিমালায় কয়েকটি পদে পদায়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা সন্নিবেশিত থাকবে। এরমধ্যে নিজ বিভাগ ব্যতীত সহকারী কমিশনারদের (শিক্ষানবিস) অন্য বিভাগে পদায়ন করতে হবে। কমপক্ষে ২ বছর শিক্ষানবিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশাসনিক কারণ ছাড়া এ সময়ে অন্যত্র বদলি করা যাবে না। তবে তা হবে কমিটির সুপারিশে।

চাকরি স্থায়ী হওয়ার পর জ্যেষ্ঠতা বজায় রেখে সহকারী কমিশনার (ভূমি), সহকারী কমিশনার পদে পদায়ন করতে হবে। এ পদে তিনি সর্বোচ্চ ২ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর তাকে বিভাগীয় কমিশনার অথবা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবশ্যিকভাবে পদায়ন করতে হবে।

সিনিয়র স্কেলপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্য হতে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর/চার্জ অফিসার/জেসিও পদে পদায়ন করতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে এসি ল্যান্ড পদে যারা বেশি দক্ষতার পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছেন তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। কিন্তু এসি ল্যান্ড হিসেবে তিনি যে জেলায় কর্মরত ছিলেন তাকে সেই জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় পোস্টিং দিতে হবে।

এছাড়া সিনিয়র স্কেলপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্য হতে জেলা পরিষদের সচিব/পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পদায়ন করতে হবে। এজন্য তাদের চাকরি যথারীতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হবে।

অপরদিকে সিনিয়র স্কেল প্রাপ্তি এবং চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে ৬ বছর পূর্ণ হওয়ার পর একজন কর্মকর্তাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে পদায়নে ফিটলিস্টভুক্তির জন্য বিবেচনা করা যাবে। তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাকে তার নিজ এবং স্বামী বা স্ত্রীর জেলা ব্যতীত অন্য কোনো জেলায় পোস্টিং দিতে হবে। এ পদে তার সাধারণ কর্মকাল হবে ২ বছর। তবে কোনো ইউএনওকে একই জেলায় একাধিক উপজেলায় পদায়ন করা যাবে না।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনারসহ মন্ত্রী ও সচিবদের পিএসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের পদে পদায়নে বিস্তর গাইডলাইন রয়েছে এ নীতিমালায়।

পদায়ন নীতিমালা প্রস্তুত করতে ৩ মাস আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডিকে (অতিরিক্ত সচিব) প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। যেখানে এপিডি উইং ছাড়াও সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি উইংয়ের কর্মকর্তাদের সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ কমিটি সর্বশেষ বৈঠক করেছে ২৯ অক্টোবর। আশা করা হচ্ছে, আরও ২-৩ বৈঠক হওয়ার পর নীতিমালা চূড়ান্ত হবে। ইতোমধ্যে খসড়া আকারে যা চূড়ান্ত করা হয়েছে সেখানে নীতির সারমর্ম চলে এসেছে। এখন শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ঘষামাজার কাজ চলছে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বাদ পড়েছে কিনা বা কোথাও কোনো ফাঁক-ফোকর থাকলে সেটি বন্ধ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, এ নীতিমালা প্রণয়নের পেছনে বিভিন্ন পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যাপক অবদান রয়েছে। তারা যথাযথ পরামর্শ দিয়ে চূড়ান্ত হতে যাওয়া নীতিমালাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এছাড়া জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন সব সময় এটি মনিটরিং করছেন। তারা মনে করেন, এ নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে বেশিরভাগ কর্মকর্তা খুশি হবেন।

পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আরো শক্ত ভিত অর্জন করবে এবং প্রয়োজনীয় নীতি প্রণয়নে আরও বেশি সক্রিয় হতে পারবে। শুধু নানা রকম প্রভাব খাটিয়ে যারা এতদিন ফায়দা নিয়ে আসছেন তাদের পথ রুদ্ধ হবে। কর্মকর্তাদের মধ্যে পর্দার আড়ালে গড়ে ওঠা কথিত কোনো নেতা কিংবা বিশেষ গ্রুপের ভূমিকা রাখার সুযোগও চিরতরে বন্ধ হবে। কর্মস্থলে সবাই প্রাপ্য মর্যাদা নিয়ে কাজে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে পারবেন।

বিশেষ করে চেইন অব কমান্ড শতভাগ অক্ষুণ্ন থাকবে। তারা বলেন, এজন্য নীতিমালার কোথাও তদবিরের কোনো সুযোগও রাখা হচ্ছে না। কেননা, ন্যূনতম সুযোগ রাখলেই বিপদ। তখন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। কোনোভাবে আর বাস্তবায়ন করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, কোথাও যদি ২০০ জন লোককে বিশেষ অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়, দেখা যাবে সেখানে কমপক্ষে ২ হাজার লোক এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

ঠিক তেমনি বদলি পদায়নের জন্য যদি বিশেষ কোনো সুযোগ রাখা হয়, তাহলে দেখা যাবে ওটা আর বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এজন্য বাইপাস সার্জারির কোনো পথ আমরা খোলা রাখছি না। রাখলে দেখা যাবে, সবাই ওই বাইপাস দিয়ে ঢুকে পছন্দের পোস্টিং হাতিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া তদবির এমন একটি বিষয়, যার লিংক আছে সে ব্যক্তিস্বার্থে সেটি ব্যবহার-অপব্যবহার সবই করবে। তাই এখন আমরা যেভাবে নীতিমালা করছি, সেখানে ঘুরেফিরে ভালো-মন্দ মিলে সব পদে সবাইকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কাজ করতে হবে।

 
বগুড়ার সাতমাথায় শাটডাউন কার্যকরে পুলিশ সুপার নামলেন মাঠে (ভিডিওসহ)

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের ‘কঠোর লকাডাউন’ ঘোষণার একদিন পর সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে সরকার। শনিবার (২৬ জুন) সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে আগামী বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই সর্বাত্মক লকডাউন আগামী এক সপ্তাহ থাকবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবে না। তবে গণমাধ্যম এর আওতামুক্ত থাকবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, আমরা শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন দেব। আগামী ২৮ তারিখ থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ দেব। এরপর প্রয়োজন হলে সেটা আমরা বাড়াব। এটা কঠোরভাবে সবাই যেন প্রতিপালন করে সেজন্য বেশি কড়াকড়ি থাকবে। এটি নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ-বিজিবি থাকবে। এমনকি সেনাবাহিনীও থাকতে পারে। মানুষ অপ্রয়োজনে বাইরে আসবে না, অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। তবে বাজেটসংক্রান্ত কার্যক্রম এনবিআর বা পেমেন্ট সম্পৃক্ত অফিসগুলো খোলা থাকবে। জরুরি পরিষেবা ইন্টারনেট, গণমাধ্যম ইত্যাদি খোলা থাকবে।

বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার

চেতনাবার্তা ডেস্কঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রেমের সালিশ করতে গিয়ে কিশোরী নাসিমা বেগমকে (১৫) নিজেই বিয়ে করলেন কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। এ ঘটনায় প্রেমিক যুবক বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।

গতকাল শুক্রবার দুপুরের দিকে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়ণপাশা গ্রামের রমজান (২৫) নামের এক যুবকের সঙ্গে স্কুলছাত্রী কিশোরী নাসিমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি নাসিমার বাবা নজরুল ইসলাম। বিষয়টি কনকদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে জানান মেয়েটির বাবা। এ নিয়ে গতকাল ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে রমজান ও নাসিমার দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সালিস বৈঠকে মেয়ে দেখে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। মেয়ের বাবা এ বিয়েতে সম্মতি জানালে ওই দিন বাদ জুমা পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে কিশোরী নাসিমাকে বিয়ে করেন ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেন, ‘তিন বছর আগেই আমি দ্বিতীয় বিয়ে করতাম। নির্বাচনের কারণে দেরি হয়েছে।’


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

শুক্রবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় তথ্য অধিদফরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসময় জরুরি সেবা ব্যতীত সকল সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। তবে গণমাধ্যম এর আওতামুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ দিয়ে শনিবার (২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

 


চেতনাবার্তা ডেস্ক: পাসপোর্ট থেকে ইসরাইল প্রসঙ্গ বাদ দেয়া হলেও বাংলাদেশিদের সেদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ‘বহাল আছে’ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতেও কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে ইসরাইলের এক কূটনীতিকের টুইটের পর গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে এভাবে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ইসরাইল ভ্রমণে আগের মতোই নিষেধাজ্ঞা আছে। ইসরাইলের বিষয়ে বাংলাদেশের যে অবস্থান, সেখান থেকে বাংলাদেশ সরে আসেনি এবং বাংলাদেশ এক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবস্থানেই অবিচল রয়েছে।’

বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সব পাসপোর্টে এতদিন লেখা থাকতÑ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সসেপ্ট ইসরাইল।’ কিন্তু নতুন ইস্যু করা ই-পাসপোর্টে এখন লেখা থাকছে ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। অর্থাৎ এ পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ।

গাজায় সাম্প্রতিক ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের মধ্যে বাংলাদেশের পাসপোর্টে এ পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে গত দুদিন ধরে আলোচনা চলছে।

এরই মধ্যে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপ-পরিচালক রাষ্ট্রদূত গিলাড কোহেনের একটি টুইট ওই আলোচনা আরও উসকে দেয়।

বাংলাদেশ ইসরাইলের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ‘তুলে নিয়েছে’ বলে মন্তব্য করে বিষয়টিকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাংলাদেশ সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয় ওই টুইটে।

ইসরাইলের ওই?টুইট নজরে আসার কথা জানিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন ইস্যু হওয়া ই-পাসপোর্ট থেকে ‘অল কান্ট্রিজ এক্সসেপ্ট ইসরাইল’ অংশটি বাদ দেয়ার পর এ বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

‘বিষয়টি তুলে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার জন্য। তার মানে এই নয় যে, মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ইসরাইল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা অপরিবর্তিতই থাকছে।’

আট দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে জিইয়ে থাকা ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ শুরু থেকে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে।

বাংলাদেশ এখনও ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি, ফলে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। বরং ফিলিস্তিনকে দূতাবাস করতে ঢাকায় জায়গা দেয়া হয়েছে।

সরকারের সেই অবস্থান অটুট থাকার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ড ও গাজায় বেসামরিক লোকজনের ওপর দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর সাম্প্রতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। জাতিসংঘের প্রস্তাবের আলোকে দুই রাষ্ট্র সমাধানকে স্বীকৃতি জানানোর মৌলিক অবস্থানেই আছে বাংলাদেশ, যেখানে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সীমানা ঠিক রেখে দুটি রাষ্ট্র তৈরি এবং পূর্ব জেরুজালমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করার বিষয়টি রয়েছে।


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরকার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা শেষ হচ্ছে আজ রোববার মধ্যরাতে। এই বিধিনিষেধ আরো ৭ দিন বাড়বে বলে জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, লকডাউন আরো ৭ দিন বাড়ছে। ৩১ মে পর্যন্ত বহাল রাখার হবে এই বিধিনিষেধ। দুপুরে এ বিষয়ে চিঠি ইস্যূর কাজ করছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। যে কোন সময় ঘোষণা আসতে পারে। এর আগে সূত্র জানায়, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে সারা দেশে ‘লকডাউন’ বা কঠোর বিধি-নিষেধ আরো সাতদিন বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত বহাল রাখার সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আজ রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে। তবে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নতুন করে এই লকডাউন বাড়ানোর কোনো সুপারিশ করেনি। কমিটি এক্ষেত্রে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানানোর ওপর জোর দিয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে দেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। প্রথমে ঢিলেঢালাভাবে চললেও পরে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে দেশজুড়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ দেওয়া হয়। পরে ৪ দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা আজ ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে। চলমান এই লকডাউনে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাস সার্ভিস, লঞ্চ, বিমান ও রেল যোগাযোগ। তবে পরবর্তীতে অর্ধেক আসন খালি রেখে সিটি করপোরেশন এলাকায় বাস ও অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু করা হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট চালু করা হয়েছে। জানা গেছে, জনগণের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়াতে চায় না সরকার। তবে দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চলমান লকডাউন আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।


চেতনা বার্তা ডেস্কঃ
সরকারি ‘গোপন নথি’ সরানোর মামলায় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন আদালত।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা মামলায় রোজিনা ইসলামের জামিন আবেদনের ওপর আজ বৃহস্পতিবার শুনানি হয়। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভার্চ্যুয়ালি এ শুনানি হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে শুনানি শুরু হয়। ১ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে শুনানি চলে। দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে শুনানি শেষ হয়। তবে আদালত সেদিন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।

রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য উপস্থাপন ও জামিন বিষয়ে আজ রোববার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গত মঙ্গলবার রোজিনা ইসলামকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। অপরদিকে রোজিনা ইসলামের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। স্বাস্থ্য সচিবের পিএস সাইফুল ইসলামের রুমে ফাইল থেকে গোপন নথি সরানোর অভিযোগে তাকে আটকে রাখা হয়। তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

রোজিনা ইসলামকে আটকে রাখার খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। তারা রোজিনাকে আটকে রাখার কারণ জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কিছুই জানাননি।

রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাংবাদিকরা সচিবালয়ের বাইরে একত্রিত হয়ে রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রতিবাদ করেন।

রাত সাড়ে ৮টার পর রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য সচিবের পিএসের রুম থেকে বের করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মধ্যরাতে তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়।


চেতনাবার্তাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদদের জন্য ক্ষমতার চেয়ার আর কারাগার একেবারে পাশাপাশি থাকে। কাজেই এটা খুবই স্বাভাবিক, কেননা আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের এটা করতেই হবে।রোববার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। 


শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৭ এ যেটা হয়েছে, ক্ষমতার বাইরে থেকেও আমাকেই প্রথম কারাগারে যেতে হয়েছিল।’ 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারাগারগুলোর উন্নয়ন করে যাচ্ছি। কেরানীগঞ্জে নারী কয়েদিদের জন্য নতুন কারাগার বানানো হয়েছে। এসব স্থাপনার উন্নয়ন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে পুরো কারা ব্যবস্থায় আমরা বেশকিছু পরিবর্তনও করেছি। আগে কারারক্ষীদের কোনো পোশাক ছিল না, ট্রেনিং ছিল না, এমনকি তাদের আবাসনেরও ঠিক মতো কোনো ব্যবস্থা ছিল না।’ 

সরকার কারাগারে বন্দিদশায় থাকা কয়েদিদের নিরাপদ জীবনে ফিরে আসা নিশ্চিত করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারাগারে যারা গ্রেপ্তার হয়ে যায়; তারা অবশ্যই অপরাধী। কিন্তু তাদের পরিবারগুলো কষ্ট পায়। আর তাছাড়া এতগুলো লোক বেকার বসে থাকবে কেন! সেই জন্য সেখানে আমরা এখন ব্যবস্থা নিয়েছি কয়েদিদের ট্রেনিংয়ের এবং তাদের কিছু পণ্য উৎপাদন করা। আর সেই সঙ্গে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ব্যবস্থা করা। তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ফলে যে টাকাটা আসবে, সেখান থেকে পঞ্চাশ শতাংশ টাকা কয়েদি জমা করতে পারবে অথবা পরিবারের কাছেও পাঠাতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা চাই সেটা হলো, কারাগারে শুধু অপরাধীদের বন্দি করে রাখা নয়। পাশাপাশি তাদের মনমানসিকতা পরিবর্তন করা, তাদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দেওয়া যাতে ভবিষ্যতে আবার বের হয়ে একই অপরাধে যাতে জড়িয়ে না পড়ে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জেলা কারাগারগুলোকেও উন্নত করে দেওয়া হচ্ছে। কেরানীগঞ্জ কারাগারের মতো করে দেশের জেলা কারাগারগুলোতেও পর্যায়ক্রমে ভার্চুয়াল কোর্টের ব্যবস্থা করা হবে।’

কারাগারের আধুনিকায়নে সরকার উদ্যোগী জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘কারাগারে রান্নার জন্য কাঠ পোড়ানো হয়। পরিবেশ রক্ষায় যেহেতু ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই এখানেও কিছু আধুনিকায়ন করা হয়েছে। সেজন্য কারাগারের পাশেই এলপিজি স্টেশন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানকার গ্যাসের স্টোরেজ দিয়ে কারাগারের চৌকিতে রান্নার ব্যবস্থা করা হবে। এতে করে বছরে অন্তত ৬০ লাখ টাকার জ্বালানি সাশ্রয় হবে।’ 

সব উপজেলাসহ দেশের দুর্গম এলাকাতেও ফায়ার সার্ভিস গড়ে তোলা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগুনে পুড়ে আমাদের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখনো প্রত্যন্ত উপজেলাগুলোতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই। সরকার চেষ্টা করছে সব জায়গায় একটা করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করে দিতে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২০ টি ফায়ার স্টেশন উপজেলা পর্যায়ে চালু করা হচ্ছে।’

ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে ৩০০ কয়েদি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার, সেখানকার রান্নার জন্য এলপিজি স্টেশন, ২০টি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন এবং জেলা পর্যায়ে ৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

File Photo
নয়া দিগন্তের সৌজন্যেঃ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতির চিত্র তুলে ধরে বিএনপি বলেছে, ‘তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।’ অবিলম্বে বিশেষায়িত হাসপাতালে রেখে তার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছে দলটি। 
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল শনিবার এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বর্তমান চিত্র লিখিতভাবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, অস্বাভাবিক মানসিক চাপে খালেদা জিয়ার আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মারাত্মক জীবন-বিনাশী জীবাণু দ্বারা ফুসফুসের সংক্রমণ বা নিউমোনিয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া কারাগারে থাকার সময় সেখানকার পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর মাত্রার ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম-শূন্যতা দেখা দিয়েছে, যা তার হাড়ের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমনিতেই অনেক আগে থেকেই তিনি বাম কাঁধ ও হাতের ব্যথায় ভুগছেন। এখন সেই ব্যথা ডান কাঁধ ও হাতে সম্প্রসারিত হয়ে মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। তিনি এখন দুই হাতেই নিদারুণ যন্ত্রণা ভোগ করছেন।
ব্যারিস্টার জমির বলেন, দেশনেত্রীর সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গেছে, ইনসুলিন ব্যবহারের পরেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ তো হচ্ছেই না, বরং তা বিপজ্জনক মাত্রায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে তার মুখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, এই ক্ষতের জন্য মুখে প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে তিনি স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না, কোনোরকমে জাউ খেয়ে জীবন ধারণ করছেন। অথচ সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও নেতারা বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে যাচ্ছেন, যা শুধু অমানবিকই নয়, নিষ্ঠুর মনুষ্যত্বহীন মনেরও বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন- ‘বেগম জিয়া আয়েশ করে পায়েস খাচ্ছেন। তিনি অসুস্থতার নামে নাটক করছেন।’ দেশের একজন বর্ষীয়ান ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের অসুস্থতা নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের বিদ্রƒপ ও রসিকতা করে আসছেন তা নজিরবিহীন। এ ধরনের দৃষ্টান্ত সভ্য দেশ ও সমাজে একেবারেই বিরল। কারাগারের দূষণযুক্ত পরিবেশে তার স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও জীবন সবই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেগম জিয়া এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। বেগম জিয়ার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য একজন বন্দীর মানবাধিকারকে অবজ্ঞা করার শামিল এবং এই বক্তব্য কেবল প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য বলে উল্লেখ করেন জমির উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিষ্ঠুর রসিকতায় একটি স্বৈরাচারী সরকারের ভয়াবহ রূপটিই ফুটে ওঠে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার একপর্যায়ে বলেছিলেন যে, বেগম জিয়া কোনো দিনই কারাগার থেকে বের হবেন না। তিনি দেশে এসে সেটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়ন করছেন। ইতোমধ্যে কেরানীগঞ্জে আদালত স্থানান্তরের এসআরো জারি করা হয়েছে। অশুভ উদ্দেশ্যেই কারাগারে আদালত বসানো হচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার কোনো সাজাই চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। এমতাবস্থায় জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে রাখা সংবিধান ও মানবাধিকার পরিপন্থী। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার যাতে চরম অবনতি না ঘটে সেজন্য তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করানোর দাবি জানান জমির উদ্দিন সরকার। খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আপাতত কোনো চিন্তাভাবনা নেই বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। সরকার দাবি না মানলে, যা করলে দাবি মানবে তা করব আমরা। 
দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার শরীরের অবস্থা খুবই খারাপ। আজকে সরকারের একটা অংশ ষড়যন্ত্র করছে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে কেরানীগঞ্জ নিয়ে যাওয়ার জন্য। খালেদা জিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে, শোচনীয় পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ইনসুলিন নেয়ার পরও খালেদা জিয়ার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই। তার ব্লাড সুগার ১৪-১৬ মাত্রায় রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল প্রমুখ।

File Photo
নয়া দিগন্তের সৌজন্যেঃ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতির চিত্র তুলে ধরে বিএনপি বলেছে, ‘তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।’ অবিলম্বে বিশেষায়িত হাসপাতালে রেখে তার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছে দলটি। 
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল শনিবার এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বর্তমান চিত্র লিখিতভাবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, অস্বাভাবিক মানসিক চাপে খালেদা জিয়ার আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মারাত্মক জীবন-বিনাশী জীবাণু দ্বারা ফুসফুসের সংক্রমণ বা নিউমোনিয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া কারাগারে থাকার সময় সেখানকার পরিবেশের জন্য ভয়ঙ্কর মাত্রার ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম-শূন্যতা দেখা দিয়েছে, যা তার হাড়ের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমনিতেই অনেক আগে থেকেই তিনি বাম কাঁধ ও হাতের ব্যথায় ভুগছেন। এখন সেই ব্যথা ডান কাঁধ ও হাতে সম্প্রসারিত হয়ে মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। তিনি এখন দুই হাতেই নিদারুণ যন্ত্রণা ভোগ করছেন।
ব্যারিস্টার জমির বলেন, দেশনেত্রীর সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গেছে, ইনসুলিন ব্যবহারের পরেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ তো হচ্ছেই না, বরং তা বিপজ্জনক মাত্রায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে তার মুখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, এই ক্ষতের জন্য মুখে প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে তিনি স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না, কোনোরকমে জাউ খেয়ে জীবন ধারণ করছেন। অথচ সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও নেতারা বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে যাচ্ছেন, যা শুধু অমানবিকই নয়, নিষ্ঠুর মনুষ্যত্বহীন মনেরও বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন- ‘বেগম জিয়া আয়েশ করে পায়েস খাচ্ছেন। তিনি অসুস্থতার নামে নাটক করছেন।’ দেশের একজন বর্ষীয়ান ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদের অসুস্থতা নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের বিদ্রƒপ ও রসিকতা করে আসছেন তা নজিরবিহীন। এ ধরনের দৃষ্টান্ত সভ্য দেশ ও সমাজে একেবারেই বিরল। কারাগারের দূষণযুক্ত পরিবেশে তার স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও জীবন সবই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেগম জিয়া এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। বেগম জিয়ার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য একজন বন্দীর মানবাধিকারকে অবজ্ঞা করার শামিল এবং এই বক্তব্য কেবল প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য বলে উল্লেখ করেন জমির উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিষ্ঠুর রসিকতায় একটি স্বৈরাচারী সরকারের ভয়াবহ রূপটিই ফুটে ওঠে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার একপর্যায়ে বলেছিলেন যে, বেগম জিয়া কোনো দিনই কারাগার থেকে বের হবেন না। তিনি দেশে এসে সেটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়ন করছেন। ইতোমধ্যে কেরানীগঞ্জে আদালত স্থানান্তরের এসআরো জারি করা হয়েছে। অশুভ উদ্দেশ্যেই কারাগারে আদালত বসানো হচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার কোনো সাজাই চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি। এমতাবস্থায় জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে রাখা সংবিধান ও মানবাধিকার পরিপন্থী। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার যাতে চরম অবনতি না ঘটে সেজন্য তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করানোর দাবি জানান জমির উদ্দিন সরকার। খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে আপাতত কোনো চিন্তাভাবনা নেই বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। সরকার দাবি না মানলে, যা করলে দাবি মানবে তা করব আমরা। 
দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার শরীরের অবস্থা খুবই খারাপ। আজকে সরকারের একটা অংশ ষড়যন্ত্র করছে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে কেরানীগঞ্জ নিয়ে যাওয়ার জন্য। খালেদা জিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে, শোচনীয় পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ইনসুলিন নেয়ার পরও খালেদা জিয়ার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই। তার ব্লাড সুগার ১৪-১৬ মাত্রায় রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল প্রমুখ।


সদর (বগুড়া)প্রতিনিধি:  মঙ্গলবার রাতে সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নের  বকুলতলা সার্বজনীন সনাতন মন্দিরে কালি পুজা অনুষ্ঠিত ।
প্রধান অতিথি হিসাবে কালি পুজা পরিদর্শন করেন বগুড়া শহর শাখা প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শেখেরকোলা ইউনিয়নের সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক কামরুল হাসান ডালিম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ আলমগী হোসেন, রেজাউল ইসলাম, পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিমল চন্দ্র সরকার , সহ সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র সুত্রধর, সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র সুত্রধর, সহ সাধারণ সম্পাদক দিপু চন্দ্র সুত্রধর, কোষাধ্যক্ষ বিপ্লব চন্দ্র সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক অপূর্ব কুমার ঘোষ, প্রচার সম্পাদক বিপুল চন্দ্র সুত্রধর, সদস্য প্রবীর চন্দ্র সুত্রধর, বিজয় চন্দ্র সুত্রধর, রতন চন্দ্র সরকার, উপদেষ্ঠা অশোক কুমার ঘোষ, নির্মল চন্দ্র সুত্রধর, নরেন্দ্রনাথ সরকার প্রমুখ।

চেতনাবার্তা.কমঃ রাজধানীর গুলশান থানায় করা হত্যা চেষ্টা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলামের আদালত এই জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে তার আইনজীবীরা আদালতে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার সকালে ধানমন্ডি এলাকা থেকে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে  গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মহানগর হাকিম মেহের নিগার সূচনা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের জুলাই মাসে রাজধানীর গুলশান থানায় হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বর্তমানে মামলাটি ঢাকা মহানগর হাকিম-৫ নম্বর আদালতে বিচারাধীন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শুক্রবার সন্ধ্যায় বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিক লীগের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন ভান্ডার পাইকা শেখ মজিব উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি শাহজাহান আলী ধলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের  সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিাবে বক্তব্য রাখেন সদর থানা জাথীয় শ্রমিক লীগের আহব্বায়ক আঃ গফুর প্রামানিক,সদর থানা যুবলীগের সভাপতি প্রভাষক শহিদুল ইসলাম দুলূ,জেলা শ্রমিক শ্রমিক লীগের যুগ্ন সম্পাদক আঃ গফুর ,দপ্তর সম্পাদক আলতাফ হোসেন,শ্রী তাপস কুমার নিয়োগী রনি রায়,মির্জা হাকিম,আশরাফ আলী চিশতি,আশরাফুল আলম রবিন,শেষে আহম্দে আলী সভাপতি ফুলুমিয়াকে সাধারণ সম্পাদক ও জহুরুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে শেখেরকোলা ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিক লীগের কমিটি গঠন করা হয়।

 চেতনা বার্তা ডট কমঃ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভোটারবিহীন নির্বাচন করে অতীতেও কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি, বর্তমান সরকারও পারবে না। বন্দুকের মুখে জনগণকে জিম্মি করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘ভাষা আন্দোলন ও মাওলানা ভাসানী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, ভোটারবিহীন নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ দেশকে মহাযন্ত্রণাময় পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে গেছে। এ যন্ত্রণা থেকে জাতি মুক্তি চায়। জাতি এ ধরনের তামাশা আর সার্কাস থেকে মুক্তি চায়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বলে একে গলাটিপে হত্যা করেছে। একতরফা নির্বাচন করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগে পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে। তবে তাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পাবে না, সময় ফুরিয়ে যাবার আগেই সরকারকে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে ক্রসফায়ারের উপর নির্ভর করছে। ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত যেভাবে তারা গণমাধ্যম বন্ধ করে বাকস্বাধীনতা হরণ করেছিল, এখন তারা সেই পথেই যাচ্ছে। 

মাওলানা ভাসানী সম্পর্কে মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ যাতে করে অন্য কোনো রাষ্ট্রের অধীনে না যায়; সেজন্য আজীবন লড়ায় করেছেন মাওলানা ভাসানী। ভাসানী নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান এবং ইতিহাস। তার সমকক্ষ নেতা এ যাবতকালে এ জনপদে জন্ম হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।

অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন একজন দুরদর্শী রাজনৈতিক নেতা। ভবিষ্যত আন্দোলন সংগ্রামে ভাসানীর আদর্শকে অনুসরণ করা উচিৎ।

সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি নাজমুল হক নান্নু, এডভোকেট কাজী মনিরুল হুদা, ভাসানীর দৌহিত্র মাহমুদুল হক সানু।

এসআই শফিক (চেতনা বার্তা ডট কম)ঃ গতকাল শুক্রবার বিকেলে বগুড়া সদরের সাবগ্রাম ইউনিয়নের চকমিঠন সিআইজি ধান চাষী সমিতির পক্ষ থেকে বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর তালুকদার হেনাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অকুন্ঠ সমর্থ দেওয়া হয়। সংবর্ধনা ও সমর্থন অনুষ্ঠানে বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর তালুকদার হেনা বলেন, আপনাদের দোয়া ও সমর্থন আমার, সমাজের জনগুত্বপূর্ন কাজ করার স্পৃহা আরও বৃদ্ধি করবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন সরকার, চকমিঠন সিআইজি ধান চাষী সমিতির সভাপতি শাকোয়াত হোসেন, সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মন্তেজার রহমান, মিজানুর রহমান মানিক, হামিদুর রহমানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

 


স্টাফ রিপোর্টার ঃ আগামী বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাচনে লড়াই সংগ্রামের নেতা বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খাঁন রুবেলকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে দেখতে চায়,তৃনমুল থেকে শুরু করে বিএনপি সকল স্তরের নেতা কর্মীরা ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বগুড়া টিটু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বগুড়া সদর থানার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশে ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মোমিনের সভাপতিত্বে উক্ত কথা গুলো বলেন বিএনপির তৃনমুল পর্যায়ের সকল নেতা কর্মীরা,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খানঁ রুবেল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষন করিলে সকল নেতা কর্মীরা তার পাশে থেকে তাকে বিপুল ভোটের ব্যাবধানের জয়লাভ করার জন্য কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। মাফতুন খানঁ রুবেল বলেন দল যাকে সমর্থন দিবে আমরা সবাই তার পক্ষে কাজ করবো।তবে গত ৫বছরে আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সংগে নিয়ে মামলা হামলার সন্মুখিন হয়ে আন্দোলন করেছি,এ জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল নিতী নির্ধারক মহলের কাছে আন্দোলনের ফসল হিসাবে আমাকে উপজেলা প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য অনুেরাধ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ মাহবুব আলম শাহিন,সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডঃ জহুরুল আলম,বিএনপি নেতা ফেরদাউস আলম পিলু,আইয়ুব খান,আসাদুল হক টুকু,আকরাম হোসেন,ইসরাফিল দেওয়ান,মকবুল হোসেন মাষ্টার,জাহেদুর রহমান,এবিএম ছিদ্দিক,আঃ বাছেত,সারোওয়ার হোসেন মুকুল,মহিলা দল নেত্রী নাজমা আক্তার,হাজেরা বেগম,থানা যুবদল নেতা অধ্যক্ষ মাহাবুব হাসান শাহিন,সাইফুল ইসলাম,আঃ মতিন,ছাত্রদল নেতা আকমল হোসেন সজল,সাখিল,সুমন সরকার,মনি প্রমুখ।

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget