ক্যাটাগরি "বিশেষ বার্তা"

[ভিডিও লিঙ্ক নিচে দেওয়া আছে]

বিশেষবার্তা ডেস্কঃ আপনাকে যদি বলা হয় কোনো হাঁস মানুষের মতো কথা বলছে তাহলে আপনার বিশ্বাস নাও হতে পারে। তবে সম্প্রতি অবশ্য এক হাঁসের মুখে মানুষের বুলি শুনে তাজ্জব বনে গেছেন নেটিজেনরা। 


সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের লিডেন বিশ্ববিদ্যালয় আর অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা এক গবেষণায় দেখেছেন, পানিতে বিচরণকারী হাঁসও মানুষের বুলি নকল করতে পারে। 

এক অডিও ক্লিপে টিডবিনবিলা নেচার রিজার্ভের একটি পুরুষ হাঁসকে বারবার ইংরেজিতে ‘ইউ ব্লাডি ফুল’ বলতে শোনা গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, রিপার নামের ওই হাঁসটি পার্কের একজন তত্ত্ববধায়কের মুখে এই বুলি শুনে শিখে নেয়। 

আরেকটি ভিডিও ক্লিপে ওই হাঁসকে দরজা খোলা ও বন্ধ করার আওয়াজ করতে শোনা গেছে।  মজার ব্যাপার হলো, সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময়ই কেবল মানুষের ওই বুলি আর দরজা খোলা ও বন্ধ করার আওয়াজ করেছে রিপার। 

গবেষণায় পাওয়া তথ্য দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তোতা, ইউরোপীয় স্টারলিং ও ময়নার মতো মানুষের বুলি নকল করার ক্ষমতা হয়েছে ওই হাঁসের।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

তালিবান বা তালেবান অর্থ 'ছাত্র' যা আফগানিস্তানের একটি দেওবন্দি ইসলামি আন্দোলন এবং সামরিক সংগঠন যারা বর্তমানে দেশের মধ্যে যুদ্ধরত অবস্থায় আছে। ২০১৬ সাল থেকে মৌলভি হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা তালেবান নেতা।‌ ২০২১ সালের হিসাবে তালেবানের আনুমানিক ১,৫০,০০০ যোদ্ধা রয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানে ৪ ভাগের ৩ ভাগের ক্ষমতায় ছিলো। ১৫ আগষ্ট ২০২১ গণির নেতৃত্ব আবারো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে সংগঠনটি।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অঞ্চল তালিবানের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তারা সেখানে ইসলামি আইন (শরিয়ত) প্রণয়ন করেছিলো। ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে তালিবানের আবির্ভাব ঘটে। এই দলটি মূলত পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন এলাকার ছাত্রদের (তালিব) নিয়ে গঠিত হয় যারা ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেছিলো এবং সোভিয়েত–আফগান যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিলো। মোহাম্মদ ওমরের নেতৃত্বে, এই আন্দোলন আফগানিস্তানের বেশিরভাগ অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৯৬ সালে আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফগান রাজধানী কান্দাহারে স্থানান্তরিত হয়। 


ইতিহাস

তালেবান ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল এবং মূলত পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন অঞ্চলের ছাত্রদের (তালিব) নিয়ে গঠিত যারা ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বিদ্যালয়ে শিক্ষিত ছিল এবং সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিল। মোহাম্মদ ওমরের নেতৃত্বে আন্দোলনটি আফগানিস্তানের বেশিরভাগ জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে, মুজাহিদিন যুদ্ধবাজদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানে ৪ ভাগের ৩ ভাগের ক্ষমতায় ছিলো।২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং ন্যাটো দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেদেশে তালিবান শাসনের অবসান ঘটানো হয়, তালিবান নেতারা অনেকেই বন্দী হন, বাকিরা পালিয়ে যান। প্রতিষ্ঠা করেছিল। ১৯৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে। হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স ও ন্যাটো জোটের যৌথ অভিযানে তালেবান সরকারের পতন হলেও পুরোপুরি শেষ করা যায় নি। বর্তমানে তারা শক্তিশালী অবস্থানে আছে। দীর্ঘ ২০ বছর যুদ্ধ করেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে না পেরে অবশেষে তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করবে। সর্বশেষ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন‘আমেরিকার দীর্ঘতম লড়াই’ শেষ করতে আগামী ১ মে থেকে আফগানিস্তানে অবস্থানকারী মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। অন্যদিকে, যুদ্ধে তালেবানরা জয়ী হয়েছে—বলে ঘোষণা দিয়েছেন তালেবান নেতা হাজী হেকমত। 

লক্ষ্য 


তালেবান বলেছে, আফগানিস্তানে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই তাদের লক্ষ্য,পশ্চিমা সৈন্যদের চলে যাওয়া, এবং ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের নিজস্ব ধরণের শরিয়ত আইন বা ইসলামিক আইন প্রনয়ণ।

পতাকা

Flag of Taliban
Flag of Taliban


আফগান গৃহযুদ্ধের সময় তালিবানরা শুধুমাত্র সাদা পতাকা ব্যবহার করতো। ১৯৯৬ সালে কাবুলের ওপর নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে ও আফগানিস্তানকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে। সাদা পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসেবে চিত্রিত করে। 'তাদের বিশ্বাসবোধ এবং সরকারের বিশুদ্ধতার প্রতীক'রূপে তুলে ধরা হয়। ১৯৯৭ সালের পর ঐ পতাকায় শাহাদাহ চিহ্ন যুক্ত করা হয়।


তালিবান বা তালেবান অর্থ 'ছাত্র' যা আফগানিস্তানের একটি দেওবন্দি ইসলামি আন্দোলন এবং সামরিক সংগঠন যারা বর্তমানে দেশের মধ্যে যুদ্ধরত অবস্থায় আছে। ২০১৬ সাল থেকে মৌলভি হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা তালেবান নেতা।‌ ২০২১ সালের হিসাবে তালেবানের আনুমানিক ১,৫০,০০০ যোদ্ধা রয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানে ৪ ভাগের ৩ ভাগের ক্ষমতায় ছিলো। ১৫ আগষ্ট ২০২১ গণির নেতৃত্ব আবারো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে সংগঠনটি।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অঞ্চল তালিবানের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তারা সেখানে ইসলামি আইন (শরিয়ত) প্রণয়ন করেছিলো। ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে তালিবানের আবির্ভাব ঘটে। এই দলটি মূলত পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন এলাকার ছাত্রদের (তালিব) নিয়ে গঠিত হয় যারা ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেছিলো এবং সোভিয়েত–আফগান যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিলো। মোহাম্মদ ওমরের নেতৃত্বে, এই আন্দোলন আফগানিস্তানের বেশিরভাগ অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৯৬ সালে আফগানিস্তান ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আফগান রাজধানী কান্দাহারে স্থানান্তরিত হয়। 


ইতিহাস

তালেবান ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল এবং মূলত পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন অঞ্চলের ছাত্রদের (তালিব) নিয়ে গঠিত যারা ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বিদ্যালয়ে শিক্ষিত ছিল এবং সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিল। মোহাম্মদ ওমরের নেতৃত্বে আন্দোলনটি আফগানিস্তানের বেশিরভাগ জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে, মুজাহিদিন যুদ্ধবাজদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানে ৪ ভাগের ৩ ভাগের ক্ষমতায় ছিলো।২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং ন্যাটো দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেদেশে তালিবান শাসনের অবসান ঘটানো হয়, তালিবান নেতারা অনেকেই বন্দী হন, বাকিরা পালিয়ে যান। প্রতিষ্ঠা করেছিল। ১৯৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে। হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স ও ন্যাটো জোটের যৌথ অভিযানে তালেবান সরকারের পতন হলেও পুরোপুরি শেষ করা যায় নি। বর্তমানে তারা শক্তিশালী অবস্থানে আছে। দীর্ঘ ২০ বছর যুদ্ধ করেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে না পেরে অবশেষে তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করবে। সর্বশেষ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন‘আমেরিকার দীর্ঘতম লড়াই’ শেষ করতে আগামী ১ মে থেকে আফগানিস্তানে অবস্থানকারী মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। অন্যদিকে, যুদ্ধে তালেবানরা জয়ী হয়েছে—বলে ঘোষণা দিয়েছেন তালেবান নেতা হাজী হেকমত। 

লক্ষ্য 


তালেবান বলেছে, আফগানিস্তানে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই তাদের লক্ষ্য,পশ্চিমা সৈন্যদের চলে যাওয়া, এবং ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের নিজস্ব ধরণের শরিয়ত আইন বা ইসলামিক আইন প্রনয়ণ।

পতাকা

Flag of Taliban
Flag of Taliban


আফগান গৃহযুদ্ধের সময় তালিবানরা শুধুমাত্র সাদা পতাকা ব্যবহার করতো। ১৯৯৬ সালে কাবুলের ওপর নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে ও আফগানিস্তানকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে। সাদা পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসেবে চিত্রিত করে। 'তাদের বিশ্বাসবোধ এবং সরকারের বিশুদ্ধতার প্রতীক'রূপে তুলে ধরা হয়। ১৯৯৭ সালের পর ঐ পতাকায় শাহাদাহ চিহ্ন যুক্ত করা হয়।


পাবনা প্রতিনিধি: কনের বাবার বাড়িতে বরযাত্রীদের খাওয়া-দাওয়া শেষ। এরআগে সেরে ফেলা হয় বিয়ের পর্বটিও। তবে কনেকে শ্বশুরবাড়ি নেয়ার আগ মুহূর্তে হাজির হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের উপস্থিতি মাত্রই পালাতে থাকেন বরযাত্রীরা। বর ইব্রাহিম হোসেনও (২২) কিশোরী বউকে রেখে পালিয়ে যান। তবে আটক হন ঘটক।
রোববার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর ইব্রাহিম হোসেন সাঁথিয়ার ফকিরপাড়া গ্রামের ফজর প্রামাণিকের ছেলে। আর কনে মো. রিপন আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল আহমেদ জানান, করমজায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের খবর আসে। এরপরই সাঁথিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনিরুজ্জামান পুলিশ ফোর্সসহ মেয়ের বাবা মো. রিপন আলীর বাড়িতে যান। কিন্তু তারা পৌঁছার আগেই বিয়ে সম্পন্ন হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বর-কনে ও যাত্রীরা পালিয়ে যান। তবে ঘটককে পুলিশ আটকাতে সক্ষম হয়। ঘটকের তথ্যমতে বর-কনেকে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে পাওয়া যায়। এসময় বর ঘরের জানালা দিয়ে ভেঙে পালিয়ে যান। কনেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করেছে। সাঁথিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান জানান, সরকারি বিধি উপেক্ষা করে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে বিয়ে দেয়ায় মেয়ের বাবা এবং বর-কনেকে আশ্রয়দানকারী প্রতিবেশী আব্দুল মতিন ও ঘটককে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহায়তা করেন সাঁথিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন।

চেতনাবার্তা ডেস্ক : বিয়েবাড়িতে আনন্দের শেষ ছিল না। তিন-চারদিন আগ থেকেই ধুমধাম আয়োজন চলছিল। কনে আনার জন্য বরযাত্রীও রওনা দেন। তবে একটি বজ্রপাত নিমিষেই সব লণ্ডভণ্ড করে দিল। চোখের সামনে একে একে ১৬ জনকে হারিয়েছেন বর।
বিয়েবাড়িতে কবরের সারি, থামছে না কান্না
বিয়েবাড়িতে কবরের সারি, থামছে না কান্না
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে মারা যাওয়া ১৬ জনের বাড়িতেই চলছে শোকের মাতম। অভিভাবক হারিয়ে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না তবজুলের নাতনি সেলিনা খাতুন। একই ঘটনায় নিজের বাবা আর স্বামীকেও হারিয়েছেন তিনি। সেলিনা বলেন, আমার এখন আর কোনো আশ্রয় নেই। স্বামী, বাবা, নানা-নানি, মামা-মামি, খালা সবাইকে হারিয়েছি। এখন আমার কী হবে জানি না। স্বজন হারানো সেলিনার কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো গ্রাম। তার আহাজারিতে এলাকাবাসীও চোখের পানি থামাতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার সকালে এমনই দৃশ্য দেখা মেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সূর্য নারায়ণপুর গ্রামে বর আল মামুনের নানার বাড়িতে। বরের নানা তবজুল ইসলামসহ এক বাড়িরই সাত সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। তবজুল ইসলামের বাড়ির উঠানেই ছয়জনকে দাফন করা হয়েছে। একই অবস্থা ডাইলপাড়া গ্রামে বর আল মামুনের বাড়িতেও। বজ্রপাতে নিজের বাবাকেও হারিয়েছেন তিনি। সঙ্গে আরো ১৬ স্বজনকে হারিয়ে তিনি পাগলপ্রায়। এভাবেই জীবনের আনন্দের দিন বিষাদে পরিণত হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি মামুন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি মো. মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, মৃতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আহতদেরও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। বুধবার নৌকায় করে সদর উপজেলার নারায়ণপুর থেকে পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা এলাকায় কনে আনতে যাচ্ছিলেন বরযাত্রী। ওই সময় বজ্রপাতে পাঁচ নারীসহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়।


বিশ্ববার্তা ডেস্কঃ অবিকল মানুষের মতো দাঁত ও ঠোঁটের মাছের দেখা মিলল। এর আগেও এমন মাছের সন্ধান মিলেছিল। তবে তা ধরা পড়েনি। পানির নিচেই দেখা মিলেছিল এই মাছের । সে সময় পানির নিচে থাকা এই মাছের ছবি সামাজিক মাধ্যমে দিলে তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তবে এবার এই মাছ ধরা পড়েছে মালয়েশিয়ায়। একেবারে মানুষের মতো দাঁত ও ঠোঁট। মুখের গড়ন অনেকটাই মানুষের মতো। এই ধরনের মাছকে বলা হয় ট্রিগার ফিশ। সাধারণত এশিয়ার দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের অনেক জলাশয়ে এই মাছ দেখা যায়।

চেতনাবার্তা ডেস্ক : ঠিক যেন রাবার জাতীয় কিছু পড়ে রয়েছে। এক ঝলক দেখলে অন্তত তেমনই মনে হবে। যদিও স্পর্শ করলেই সেটি নড়েচড়ে উঠবে। ধূসর রঙের ভাঁজ পড়া চামড়ার অদ্ভুতদর্শন এই ‘বস্তু’টি আসলে একটি প্রাণী। নাম সেসিলিয়ান। সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এমনই এক প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাকে ঘিরে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীমহলে। বিশ্বে এই প্রাণীর খোঁজ প্রথম মিলল তা নয়, ফ্লোরিডায় প্রথম এই প্রাণীর দেখা মিলেছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডার তামিয়ামি খালে এর খোঁজ মিলেছে।


Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget