ক্যাটাগরি "স্বাস্থ্যবার্তা"

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ যত বেশি ‘ফাস্ট ফুড’ খাবে ততই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমবে। আর এই ফলাফল মিলেছে ‘বার্সেলোনা ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল’ এবং ‘পেরে ভির্হিলি হেল্থ রিসার্চ ইন্সটিটিউট’য়ের গবেষণায়। ‘এনভায়রনমেন্টাল পলিউশন’য়ের ২০২১ সালের সংখ্যায় প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য ১,২৯৮ জোড়া মা ও ছেলের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। সন্তানদের বয়স ছিল ছয় থেকে ১১ বছর।
গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন যে স্কুলগামী বয়সের শিশুদের মধ্যে জৈব বা অর্গানিক খাদ্য গ্রহণের ফলাফল হিসেবে তাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, তথ্য মনে রাখার ক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, যৌক্তিক ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ভাজাপোড়া বা ফাস্টফুড, জনাকীর্ণ বাড়িতে থাকা, ধূমপান ও তামাকের সংস্পর্শ স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত । ইটদিস ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে গবেষণার সহ-লেখক এবং ‘আইএসগ্লোবাল’স চাইল্ডহুড অ্যান্ড এনভারনমেন্টাল পোগ্রাম’য়ের প্রধান মার্টিন ভিরহেইড বলেন, “আমরা কয়েকজন বাবা-মাকে লক্ষ্য করেছি। যাদের সন্তান হওয়ার সময়ের পরিবেশ ছিল দূষিত (অভ্যন্তরীণ বায়ু দূষণ এবং তামাকের ধোঁয়া) আর তাদের জীবনযাত্রার অভ্যাসগুলো (খাদ্যাভ্যাস, ঘুম এবং পারিবারিক সামাজিক মূল্যবোধ) এসব শিশুদের আচরণগত সমস্যা দেখা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত।” তবে গবেষকরা চমকপ্রদ কিছু তথ্যও পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে গর্ভবতী মায়েদের সবুজের প্রতি আকৃষ্ট থাকার সঙ্গে শিশুর জ্ঞানীয় ক্ষমতার প্রভাব। গবেষকরা আরও দেখেছেন যে, মায়ের অ্যালকোহল গ্রহণ উচ্চমাত্রার ‘পারফ্লুরুকট্যান সালফোনিক অ্যাসিড (এক ধরনের দূষণকারী) এবং উচ্চ মাত্রার প্রসব-পূর্বকালীন পারদের স্তরগুলো জ্ঞানীয় কার্য সম্পাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এগুলো বিভ্রান্তিকর এবং বিপরীত ফলাফল দিতে পারে বলে গবেষকরা মনে করেন। ২০১৪ সালের করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব শিশু ভাজাপোড়া খাবার বেশি খায় তাদের মাঝে ৫ম ও ৮ম শ্রেণীতে বিজ্ঞান, গণিত ও পঠনের দুর্বলতা দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যবার্তা ডেস্কঃ স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় পেঁপের অবস্থান অন্যতম। এটি কাঁচা ও পাকা দুভাবেই খাওয়া হয়ে থাকে। কাঁচা অবস্থায় সবজি ও পাঁকা অবস্থায় ফল হিসেবে খাওয়া হয় পেঁপে। আর এটি পাওয়া যায় সারা বছরেই।

আমাদের দেশে কাঁচা পেঁপে ভাজি ও ডাল দিয়ে নানারকম তরকারি খাওয়া হয়ে থাকে। এমনকি এটি বিভিন্ন মাংসেও দিয়ে রান্না করা হয়। এ ছাড়া কাঁচা পেঁপের হালুয়া আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়।

এত সুস্বাদু খাবার হওয়ার পাশাপাশি কাঁচা পেঁপের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই বিশেষজ্ঞরা একে 'সুপারফুড' হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। শরীরকে সুস্থ রাখতে ও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করার পাশাপাশি এটি জ্বর নিরাময়ে, পেটের সমস্যা দূর করতে, গ্যাস্ট্রিক এবং বদহজমেও অনেক উপকারী।

জানুন কাঁচা পেঁপের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে—

১. এনজাইমের উৎস
কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম থাকে। এতে কেমোপেইন, প্যাপিন, পাইপাইন ও সাইমোপ্যাপিনের মতো উপাদান থাকে। এগুলো কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন চর্বি দূর করতে সাহায্য করে।

২. পেটের জন্য উপকারী
এটি পেটের জন্য অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে থাকে। কাঁচা পেঁপে কোলনের জন্য এবং পেটের পচন প্রকৃয়ার জন্য অনেক ভালো। এটি পেটে গিয়ে অনেকটা ঝাড়ুর মতো করে পেটকে পরিষ্কার করে ফেলে। আর এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, ডায়রিয়া ও গ্যাসের সমস্যা নিরাময়ে অনেক কার্যকরী।

৩. ত্বকের জন্য ভালো
কাঁচা পেঁপে মৃত কোষকে দূর করতে কার্যকরী। আর এতে থাকা ফাইবার আমাদের শরীরের ভেতরেও পরিষ্কার করে। তাই এটি খেলে ব্রণ ও ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে অনেক ভালো কাজ করে।

৪. পুষ্টির উৎস

ব্রিটিশ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কাঁচা পেঁপেতে গাজর ও টমেটোর চেয়েও অনেক বেশি ক্যারটিনয়েডস পাওয়া যায়। তাই এটি আমাদের শরীরের ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে।

এ ছাড়া কাঁচা পেঁপে হাঁপানি, অস্টিও আর্থারাইটিস, গাউট, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের রোগের উপকারে এবং হার্টকে ভালো রাখতে অনেক কার্যকরী।


আরেকটি বিশেষ বিসিএসের আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এটি হবে ৪৪তম বিসিএস। যার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে ৪০৯ জন চিকিৎসক।

অন্যান্য বিশেষ বিসিএসে প্রিলিমিনারি এবং ভাইভা হলেও এ বিসিএসে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। এ জন্য সরকারি কর্ম কমিশনের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে চলতি মাসেই সার্কুলার দেয়া হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রটি জানায়, বিশেষ বিসিএসে শুধু মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে ৪০৯ জন চিকিৎসককে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিওলজি) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। এজন্য বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা-১৯৮১ সংশোধন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলতি মাসেই ৪৪তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকট রয়েছে। এ কারণে অনেক হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। এসব পদে জরুরিভিত্তিতে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট নিয়োগ দেয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চাহিদাপত্র পাঠায় হাসপাতালগুলো। এসব হাসপাতালের চাহিদাপত্র জনপ্রশাসনে দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এবার সেই নিয়োগ আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

এছাড়াও অ্যানেস্থেসিওলজির শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও নির্দেশনা রয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালা সংশোধন করে গত ২৮ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়। এ পদে নিয়োগ পেতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা লাগবে। এছাড়া এ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।

শুক্রবার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, যেকোনো ধরনের বিশেষ বিসিএস নিতে হলে পিএসসির নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করতে হয়। সরকার যদি প্রয়োজন মনে করে তবে সেটা করা হতে পারে।

৪৪তম বিসিএসে শুধু ভাইভার মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের কোনো চাহিদা বা পত্র এখনও আমরা পায়নি। পেলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোয় জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিওলজি) পদ শূন্য। এতে অপারেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা দিতে কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এজন্য এসব পদে নিয়োগ দিতে বিশেষ বিসিএসের আয়োজন করা হবে। বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে শর্ত শিথিল করা হয়েছে। নিয়োগের প্রস্তাব গত বুধবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকরা অ্যানেস্থেসিওলজি নিয়ে পড়তে আগ্রহী নন। ফলে হাসপাতালে অনেক পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদ দ্রুত পূরণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুত নিয়োগের জন্য এখন কাজ চলছে।

এদিকে করোনা সংক্রমণের কারণে দুটি বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেয় সরকার। এর মধ্যে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মতো চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আর ৪২তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ফলাফলের পর মৌখিক পরীক্ষা চলছে। করোনার কারণে আপাতত ভাইভা স্থগিত রাখা হয়েছে ।

পিএসসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৩৯তম বিসিএসের নন-ক্যাডার থেকে দুই হাজার চিকিৎসক নেওয়া হয়। তারা ক্যাডার হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন ৩৯তম বিসিএসের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে। স্বাস্থ্য ক্যাডারের সহকারী সার্জন হিসেবে তাদের নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও করোনাকালে ৫ হাজার ৫৪ জন নার্স নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ২০১৮ সালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষার অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে।


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

শুক্রবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় তথ্য অধিদফরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসময় জরুরি সেবা ব্যতীত সকল সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। তবে গণমাধ্যম এর আওতামুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ দিয়ে শনিবার (২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

 


চেতনাবার্তা ডেস্কঃ দেশে সংক্রমণের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে (ধরন) বলে সরকারের একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে। ভারতীয় ধরন হিসেবে পরিচিত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের প্রমাণও পাওয়া গেছে ওই গবেষণায়।

পাশাপাশি দেশে অজানা একটি ভ্যারিয়েন্টও শনাক্ত হয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডিএসএইচআই) করোনভাইরাসের ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করেছে। সেখান থেকে এই তথ্য জানা গেছে।


পরীক্ষায় ৫০টি নমুনার ৪০টি (৮০ শতাংশ) ভারতীয় ধরণ। ৮টি (১৬ শতাংশ) বিটা ভ্যারিয়েন্ট বা সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, একটি সার্কুলেটিং ও ১ টি আন-আইডিন্টিফাউড (অজানা) ভ্যারিয়েন্ট।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে ১৪ জন বিদেশে যাননি এবং বিদেশ থেকে আগত রোগীর সংষ্পর্শে আসার কোনো তথ্যও পাওয়া যায়না। এ কারণে গবেষণায় বলা হচ্ছে বাংলাদেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি সংক্রমণ বিদ্যমান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সংগ্রহ করা ১৬টি নমুনার মধ্যে ১৫টি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এবং গোপালগঞ্জ থেকে সাতটি নমুনার সবগুলোর মধ্যেই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। খুলনা থেকে সংগ্রহ করা তিনটি নমুনাই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট এবং ঢাকা থেকে সংগ্রহ করা চারটি নমুনার মধ্যে দুটি ছিল ডেল্টা ভেরিয়েন্ট। এ ছাড়া দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ ও পিরোজপুর থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টটি পাওয়া গেছে।



গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টটি প্রথম শনাক্ত করা হয়। এটি করোনাভাইরাসের আগের স্ট্রেইনের চেয়ে অনেক বেশি সংক্রামক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভেরিয়েন্টটিকে ‘উদ্বেগের ভ্যারিয়েন্ট’ বলে অভিহিত করেছে।

 


অনলাইন ডেস্ক:
অবসরে মুখশুদ্ধি হিসেবে মৌরি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। বিশেষ করে হোটেল বা রেস্টুরেন্টে আহারের পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি দেখে অনেকেই জিরা ভেবে ভুল করেন।

শরীরের জন্য খুবই উপকারী এ ছোট্ট উপাদান। জানেন কি? প্রতি রাতে এক গ্লøাস পানিতে এক চামচ মৌরি ভিজিয়ে খেলেই দেখবেন ম্যাজিক। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার শরীরের পরিবর্তন টের পাবেন। মৌরিতে থাকা পুষ্টিকর উপাদানগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি সারাতে পারে।

এজন্য এক চামচ কাঁচা মৌরি ভালো করে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে সারারাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে পান করুন। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও সারাতে পারে মৌরি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক মৌরি শরীরের জন্য কতটা উপকারী-

যেকোনো সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে মৌরি। এতে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানসমূহ। নিয়মিত মৌরি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মৌরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদানসমূহ প্যাথজেনের (জীবাণু) আক্রমণ ঠেকায়।

হজমের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য মৌরি এক কার্যকরী দাওয়াই। নিয়মিত মৌরি ভেজানো পানি বা চা পান করলে এ সমস্যা দ্রুত সারবে। মৌরি ভেজানো পানি গ্যাস্ট্রো এনজাইম তৈরি করতে ও নিঃসরণে সাহায্য করে। ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমতে শুরু করে।

মৌরিতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা শরীরকে খারাপ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। মৌরিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তের মলিকিউলে পৌঁছে অক্সিডেটিভ ড্যামেজের সঙ্গে লড়াই করে।

খারাপ নিশ্বাসের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের জন্য মৌরি অত্যন্ত কার্যকরী। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমূহ থাকায় মৌরি খেলে মুখের ভেতরের প্যাথজেন (জীবাণু) ধ্বংস হয়। যার ফলে দুর্গন্ধও দূর হয়।

মৌরিতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

শরীরের টক্সিন বের করে দেয় মৌরি। রক্ত পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে মৌরিতে থাকা উপাদানসমূহ। শরীরে তৈরি হওয়া টক্সিন (দূষিত পদার্থ) বের করতেও সাহায্য করে।

পিরিয়ডের সময় তলপেটে ও কোমরে অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব করেন অনেক নারী। এ সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। যদিও বেশি ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পিরিয়ডের ব্যথায় মুক্তি পেতে প্রথমদিন থেকেই মৌরি খেতে শুরু করুন।

অতিরিক্ত মেদ-ভুড়ি নিয়ে যারা চিন্তিত, তারা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। শরীরের মেটাবলিজম উন্নত করে মৌরি। কাজেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মৌরি ভেজানো পানি পান করলে কিছুদিনের মধ্যেই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

যারা মৌরি খাবেন না: গর্ভবতী নারী ও শিশুরা মৌরি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। গাজরে যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, তারাও মৌরি খাবেন না। এ ছাড়াও যাদের রক্তে কোনো সমস্যা রয়েছে, তাদের মৌরি খাওয়া উচিত নয়।


অনলাইন ডেস্ক: করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৫ জন মারা গেছেন। এ মহামারিতে বিশ্বে মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯ কোটি ২০ লাখ ৮ হাজার ৩০১ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ কোটি ৫৮ লাখ ২১ হাজার ৬০২ জন। আজ বুধবার আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়েছে- এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৩৩ লাখ ৬৮ হাজার ২২৫ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৯৯ জন।

আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৬ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।


চেতনাবার্তা ডেস্ক: 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাবে যা প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি। আমাদের জনসংখ্যার যারা ১৮ বছরের নিচে তারা ভ্যাকসিন গ্রহণ করবে না যা প্রায় ৪০ শতাংশ। পৃথিবীর কোথাও তাদের ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে না এবং তাদের ট্রায়ালও হয়নি। তিনি বলেন, এক কোটি লোক দেশের বাইরে থাকে। তাতে আমাদের হিসাবে আছে, প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষের এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না। আর যে ভ্যাকসিন দেয়া হবে সেটাও প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি। কাজেই গ্যাপ বেশি থাকছে না, যেটুকু থাকছে সেটুকুও পর্যায়ক্রমে পূরণ করে ফেলব। আজ রোববার দুপুরে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে ভ্যাকসিন ল্যাব পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এখানে দুটি ল্যাব দেখেছি। একটি ওষুধের আর একটি ভ্যাকসিনের। আমাদের যে ওষুধের ল্যাব আছে সেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন দিয়েছে। সেই অনুমোদনের ফলে আমাদের ল্যাব আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল। এখানে আমাদের যত ওষুধ কোম্পানি আছে সে ওষুধের মান প্রতিনিয়ত পরীক্ষা করা হয় এবং সে মান বজায় রাখার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তা করা হয়। আগামীতে এই ল্যাবরেটরিতে কোভিড ভ্যাকসিনও পরীক্ষা করা হবে।

সাজগোজ.কমঃ আপনার অসামান্য সৌন্দর্যে অনেকটা কালিমা আকারে বসবাস করতে থাকা ঘাড়ের বিশ্রী কালো দাগগুলো নিয়ে চিন্তিত? আপনার সুন্দর সাজপোশাকের সাথে অনেক ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সুন্দর স্টাইলে চুলটা ঝুঁটি করে বাঁধতে পারেন না কারণ আপনি উঁচু ঝুঁটি করে চুল বাঁধলেই ঘাড়ের কালো দাগ জ্বলজ্বল করে। আপনি আপনার ওড়নাটা সব সময় গলায় পেঁচিয়ে রাখতে বাধ্য হন কারণ আপনার ঘাড়ের কালো দাগগুলো আপনার অস্বস্তির কারণ হয়। শাড়ি পড়ে আঁচল সুন্দর করে মেলে না রেখে বরং ঘাড়টা কৌশলে আঁচল তুলে ঢেকে রাখেন কারণ একটাই আপনার ঘাড়ের কালো দাগ।
আপনার এই সমস্যার সমাধান নিয়েই আজকের এই আর্টিকেলটি। আজ আপনাদের জানাবো কি করে ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আপনার ঘাড়ের অবাঞ্ছিত কালো দাগ তুলে ফেলবেন।
পদ্ধতি ১-
যা যা লাগবেঃ
১ টেবিল চামচ মধু।
২ টেবিল চামচ লেবুর রস।
২ টেবিল চামচ দই।
২ টেবিল চামচ শশার রস\শশা পেস্ট।
হাফ কাপ আলুর রস।
সব উপাদান একসাথে মিশিয়ে আপনার ঘাড়ের কালো দাগযুক্ত এরিয়াতে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর এটি ১০\১৫ মিনিট রেখে দিন এবং পড়ে হালকা মৃদু গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২\৩ বার পদ্ধতি অনুসরণ করুন আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত।
পদ্ধতি ২-
যা যা লাগবেঃ
১ চা চামচ লেবুর রস।
১ চা চামচ রোজ ওয়াটার।
ফ্রেশ লেবু থেকে রস সংগ্রহ করে রোজ ওয়াটার এর সাথে মিশিয়ে আপনার ঘাড়ে হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে বা কটন বলের সাহায্যে লাগিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন যতক্ষণ না এটি আপনার স্কিনে মিশে যাই। এটি মিশে গেলে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিয়ে পরে ধুয়ে ফেলুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি লাগিয়ে রাখেন আর পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলেন। এটি রেগুলার কিছুদিন ব্যবহার করলেই নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
পদ্ধতি ৩-
যা যা লাগবেঃ
১ টি লেবুর রস।
১\২ চিমটি হলুদের গুঁড়া।
একটি লেবুর রস সাথে হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে আপনার ঘাড়ের কালো দাগে ১\২ মিনিট ম্যাসাজ করুন এবং ১০\১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ঘাড় ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন রেগুলার এটি ব্যবহার করুন ভালো ফলাফল পেতে।
পদ্ধতি ৪-
যা যা লাগবেঃ
২ চা চামচ লেবুর রস।
২ টেবিল চামচ দুধ।
১ টেবিল চামচ মধু।
১ চা চামচ অ্যালমন্ড অয়েল।
একটি বাটিতে সব উপাদান নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে আপনার ঘাড়ে হালকা ম্যাসাজ করে ১০\২০ মিনিট রেখে দিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার ঘাড় ধুয়ে ফেলুন। রেগুলার ব্যবহারে এটি কেবল আপনার ঘাড়ের কালো দাগ দূর করবে না বরং আপনার স্কিনের আন ইভেন টোন রিপেয়ার করবে।
পদ্ধতি ৫-
যা যা লাগবেঃ
২ টেবিল চামচ লেবুর রস।
১ কাপ ব্লেন্ড করা টমেটো।
এই দুই উপাদান মিশিয়ে আপনার ঘাড়ের কালো অংশে আপ্লাই করে হালকা ম্যাসাজকরে ১৫\২০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি যদি পরপর কয়েকদিন দিনে দুইবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন।
উপরের প্রতিটা পদ্ধতির সব উপাদান ন্যাচারাল ও সহজলভ্য। এতে আপনার স্কিনের কোন ক্ষতি না করেই ঘাড়ের কালো দাগ ও স্কিনের আন ইভেন টোন রিপেয়ার করবে।
লিখেছেনঃ রুমানা রহমান

সাজগোজ.কমঃ

আমাদের অতি পরিচিত একটি মৌসুমি ফল আনারস। সৌন্দর্যের জন্য এ ফলকে “স্বর্ণকুমারী” বলে অ্যাখায়িত করা হয়। পুষ্টিকর ও সুস্বাদু এই ফলে রয়েছে ভিটামিন-এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। এছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম আনারসে রয়েছে ০.৬ ভাগ প্রোটিন, ০.১২ গ্রাম সহজপাচ্য ফ্যাট, ০.৫ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১৩.১২ গ্রাম শর্করা, ০.১১ গ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৪ মি. গ্রাম ভিটামিন-২, ভিটামিন- সি ৪৭.৮ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.০২ গ্রাম, আঁশ ১.৪ গ্রাম এবং ১.২ মিলি গ্রাম লৌহ।
এতো গেল আনারসের পুষ্টিগুণ নিয়ে কথা কিন্তু আমি আজ আপনাদের বলবো সুস্বাদু আর স্বাস্থ্যকর এই ফলের ত্বকের যত্নে কিছু জাদুকরী ফেসমাস্কের কথা। আনারসে উপস্থিত Bromeliad নামক এনজাইম আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী যা কিনা ত্বকের মৃত কোষ, এজ স্পট, ফাইন লাইন, ত্বকের উপরিভাগের ময়লা ও সানবার্ন এর মতো দাগ তুলতে সাহায্য করে ও ত্বক সফট আর সাফল করে। এমনকি আনারস ও আনারসের ফেসিয়াল মাস্ক ত্বকে ব্রণের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।
আনারসের ফেসিয়াল মাস্ক রেসিপিঃ
০১. আনারস ও মধুর ফেসমাস্ক-
উপাদানঃ
*ফ্রেশ আনারস
*৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল
*১ টেবিল চামচ অরগানিক মধু
যেভাবে করবেনঃ
পরিমাণ মতো আনারস নিয়ে অলিভ অয়েল আর মধু সহ চটকাতে থাকুন যতক্ষণ না এটি মুখে লাগানোর মতো মিহি পেস্ট আকার ধারণ করে। এবার এই মিহি পেস্ট আপনার পরিষ্কার ত্বকে হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে মুখে ও গলায় লাগান চোখের এরিয়া বাদ রেখে। মাস্ক লাগিয়ে রিলাক্স হয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। ১৫ মিনিট পর আপনার মুখ হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আরেকবার মুখ ধুয়ে নিন। শুকনা তোয়ালে দিয়ে মুখ ভালোভাবে মুছে একটা ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগিয়ে নিন। এতে আপনার ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র আর কোমল থাকবে।
উপকারিতাঃ
এই মাস্ক আপনার ত্বকের ন্যাচারাল গ্লো বাড়িয়ে তুলবে সাথে সাথেই স্কিন হেলদি রাখবে। এই মাস্ক ত্বকের রোদে পোড়াভাব এক কথাই সান বার্ন কমিয়ে তুলবে।
০২. পেঁপে, মধু ও আনারসের ফেসমাস্ক-
উপাদানঃ
*পাকা পেঁপে
*ফ্রেশ আনারস
*অরগানিক মধু
রেসিপিঃ
পেঁপে, আনারস ও মধু একটা ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করুন। সব উপাদান ভালোভাবে মিশে গেলে এই পেস্ট আপনার হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে সুন্দর করে মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিন। ৫-১০ মিনিট এই পেস্ট লাগিয়ে বিশ্রাম নিন এবং পরে মৃদু গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। শেষে আরও একবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন আর তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান।
উপকারিতাঃ
এই মাস্ক আপনার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখবে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে এবং ত্বকের এক্সফলিয়েটর এর কাজ করবে।
০৩. ডিমের সাদা অংশ, মধু ও আনারসের ফেসমাস্ক-
উপাদানঃ
*ফ্রেশ আনারস
*একটি ডিমের সাদা অংশ
*এক টেবিল চামচ অরগানিক মধু
রেসিপিঃ
ডিমের সাদা অংশ, মধু ও আনারস একসাথে ব্লেন্ড করুন এরপর এটি আপনার ত্বকের শুধুমাত্র চোখের এরিয়া বাদে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে প্রথমে হালকা গরম ও পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতাঃ
এটি একটি স্কিন টাইটেনিং মাস্ক। এমনকি এই মাস্ক এর ডিমের যে উপাদানটুকু উপস্থিত সেটুকু আপনার ত্বক টনিং ও টাইটেনিং করতে অনেক সাহায্য করবে।
০৪. কোকোনাট মিল্ক ও আনারসের মাস্ক-
উপাদানঃ
*৪ টুকরা ফ্রেশ আনারস স্লাইস
*২ টেবিল চামচ কোকোনাট মিল্ক
রেসিপিঃ
এই দুই উপাদান ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে আপনার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর গরম পানিতে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে তার সাহায্যে মুখ মুছে ফেলুন আর পরে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। মুখ মুছে আপনার পছন্দের কোন ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।
উপকারিতাঃ
এটি ত্বক উজ্জ্বল করবে ও ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনবে।
টিপসঃ
*উপরের যেকোন মাস্ক মুখে আপ্লাই করার আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন আর নিশ্চিত করুন যাতে ত্বকে কোন প্রকার ক্রিম বা লোশন না থাকে।
*এই মাস্কগুলো লাগিয়ে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি মুখে মাস্ক রাখার সময়টুকু শুয়ে কাটান আর আপনার চোখের উপর দুই টুকরা শশা অথবা ভেজা কটন বল রাখেন।
*মাস্কে সব সময় ফ্রেশ ফ্রুট ব্যবহার করুন আর শুধুমাত্র ফ্রুট মাস্কই নয় চেষ্টা করুন সাথে সাথেই ফ্রেশ ফ্রুট খেতে।
লিখেছেনঃ রুমানা রহমান

ক্যাফেইন ঠাসা কথিত এনার্জি ড্রিংকস পানে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন প্রক্রিয়া পাল্টে যেতে পারে। কথিত এনার্জি ড্রিংকস পানের এক ঘণ্টা পর ১৭ ব্যক্তির হৃদপিণ্ডের ছবি ধারণ করেছেন জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল। তারই ভিত্তিতে এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে এ গবেষক দলটি। এ কথা আমরা সবাই জানি, হৃদপিণ্ড সংকোচন ও প্রসারণের মধ্য দিয়ে দেহে রক্ত প্রবাহিত হয়। কিন্তু এনার্জি ড্রিংকস খাওয়ার পর হৃদপিণ্ডকে সংকুচিত হতে বেশি বল প্রয়োগ করতে হচ্ছে বলে এ সমীক্ষায় দেখা গেছে।


উত্তর আমেরিকার রেডিওলজিকাল সোসাইটির বাতসরিক সভায় গবেষক দলটি তাদের সমীক্ষার এ ফলাফলটি উপস্থাপন করেছে।
এ দলের গবেষক ডা.জোন্স ডোনার বলেছেন, এনার্জি ড্রিংকস নামের এ সব পানীয় হৃদপিণ্ডের ওপর কি প্রতিক্রিয়া ফেলে এর আগে তা নিয়ে সঠিক গবেষণা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, কফি বা কোকাকলার মতো কথিত কোমল পানীয় হিসেবে খ্যাত পানীয়তে যে পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে তার চেয়ে তিনগুণ বেশি পাওয়া থাকে কথিত এনার্জি ড্রিংকসে।


অতি মাত্রায় ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় গ্রহণে নানা সমস্যা হতে পারে বলে জানান ডা.জোন্স ডোনার। তিনি বলেন, এতে হৃৎস্পন্দন দ্রুত হতে পারে, বুক ধড়পড় করতে পারে, বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপ এবং মারাত্মক পরিস্থিতিতে অজ্ঞান হওয়া বা মৃত্যুর মতো ভয়াবহ অবস্থাও সৃষ্টি হতে পারে।
ইদানীং তরুণ বয়সীদের মধ্যে এনার্জি ড্রিংকস বাংলাদেশসহ বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বাংলাদেশে বিপণনের চতুর কলা-কৌশল, খাদ্য আইনের দুর্বলতা ও প্রয়োগহীনতা এবং চটকদার,  দায়িত্ব ও নৈতিকতা বিবর্জিত বিজ্ঞাপনই রয়েছে এর মূলে। কথিত পানীয় শিল্পের একটি দ্রুত প্রসারমাণ অংশের প্রতিনিধি হয়ে দাঁড়াচ্ছে এনার্জি ড্রিংকস।


১৪০টি দেশে ২০০ ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংক তৈরি হচ্ছে এবং বিশ্বের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী তরুণের ৩১ শতাংশ নিয়মিত এনার্জি ড্রিংকস গ্রহণ করে এর আগের এক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।


‘এত্তো এনার্জি!’ ‘এত্তো এনার্জি!!’ বলে বিজ্ঞাপনে যতই বুলি আওড়াক না কেনো এরপর থেকে কথিত এনার্জি ড্রিংকস সম্পর্কে সবার সতর্ক হওয়া উচিত। জার্মানির গবেষক দলটি বলেছে, শিশু ও হৃদ-স্পন্দনে অনিয়ম আছে এমন  পূর্ণ বয়সী ব্যক্তিদের এনার্জি ড্রিংকস নামের কথিত পানীয় পান না করাই উচিত।
কথিত কোমল পানীয়কেও সবার জন্য নিরাপদ ভাবার কোনোই অবকাশ নেই। ব্রিটিশ কোমল পানীয় সংস্থা এরই মধ্যে বলেছে, তাদের তৈরি পানীয় শিশুদের জন্য নয়!

 
চেতনা বার্তা ডেস্কঃ প্যারাসিটামল সম্পর্কে ১০টি তথ্য:

১। প্যারাসিটামল সাধারণত ব্যথানাশক ও তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়।

২। পৃথিবীতে একশটিরও বেশি ওষুধের সাথে মিশ্রিত করে এটি ব্যবহার করা হয় এবং বিশ্বজুড়ে ওটিসি ড্রাগ হিসেবে পাওয়া যায়।

৩। প্রাপ্ত বয়স্কদের চার গ্রাম অর্থাৎ আটটি ট্যাবলেট এর বেশি কোনভাবেই একদিনে গ্রহণ করা যাবে না।

৪। কোন ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্যারাসিটামল মিশ্রিত করা আছে কিনা এ বিষয়ে অবগত থাকতে হবে।

৫। কখনো অ্যালকোহল পান করার পর প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে না।

৬। প্যারাসিটামল খাওয়ার পর অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট জাতীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

৭। পাকস্থলীতে ব্যথা, অতিরিক্ত ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি করা, ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে প্যারাসিটামল গ্রহণকারীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

৮। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল খেলে সঠিক নির্দেশিকা যেমন-জ্বরের জন্য সর্বোচ্চ তিন দিন, ব্যথার জন্য সর্বোচ্চ দশ দিন এরূপ নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

৯। গর্ভবতী মহিলা ও দুগ্ধবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় কোনভাবেই ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া খাওয়া যাবে না।

১০। সঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী খেলে প্যারাসিটামল একটি নিরাপদ ওষুধ কিন্তু অতিমাত্রায় গ্রহণ বা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে কিডনী ও লিভার এর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

আরিফুর রহমান ফাহিম,প্রভাষক, ফার্মেসী বিভাগ,ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget