চেতনাবার্তা ডেস্কঃ সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, আমাদের কর্মকর্তারা যেটি মেনে চলবেন স্যার, ম্যাডাম বা এমন কিছু সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্যার শব্দের অর্থ মহোদয়। ম্যাডাম অর্থ মহাদয়া। জনাব বা জনাবা। রুলস অব বিজনেসে এটা নাই। আমাদের জাতির পিতার নির্দেশনা কী ছিল? যারা তোমাদেরর কাছে সেবা নিতে আসে তাদের দিকে তাকাও তারা তোমার ভাইয়ের মতো, বাবার মতো, আত্মীয়ের মতো। যারা সেবা দিতে আসে তারা জনগণ, জনগণের সেবক হও। জনগণের টাকায় তোমার বেতন হয়।
ফরহাদ হোসেন বলেন, সেক্ষেত্রে আমাদের স্লোগনটা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে চাই। সেজন্য আমি নিজেও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়, তাদের অনুপ্রাণিত করি। মাঠ প্রশাসনের প্রধান বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে নির্দেশনা দেই। তারা অ্যাসিল্যান্ড থেকে শুরু করে ইউএনওদের নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। তারা প্রতিদিন তাদেরকে এই বার্তাগুলো দিচ্ছেন যে জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। আমরা জনমুখী জনপ্রশাসন বলতে ওইটাই বলেছি। সেক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।
‘কেউ সেবা নিতে গেলে হাসিমুখে, আপনার এটিচিউডটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সেবা নিতে গলে যদি ওয়েলকামিং এটিচিউড না থাকে, আপনি তিরস্কার বা রেগে আছেন- এগুলো দুর্নীতি। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল। এটা করা যাবে না। আপনি সুন্দর, সাবলীলভাবে কথা বলেন। এমন কথা বলাটা এমন না যে ক্ষমতা দেখাতে পারছেন না বা আপনি হেরে যাচ্ছেন। সাধ্যমত সেবাটি দেওয়া। আপনার আচরণ সরকারের আচরণ। সবাই মনে করে আপনার অফিস প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একটি অংশ। ’
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কর্মকর্তারা যেটি মেনে চলবে- স্যার, ম্যাডাম বা এমন কিছু সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।
সম্প্রতি মাঠ প্রশাসনে এক কর্মকর্তাকে স্যার সম্বোধন না করায় উদ্ভুত পরিস্তিতি নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি জায়গায় একটি ঘটনা ঘটেছিল, সেখানেও আমরা দেখেছি আশেপাশে যারা ছিল তাদের অতি বাড়াড়িতে এমনটি হয়েছিল।
‘এমনও নজির আছে, একজন ইউএনও যখন চলে যায় তখন কিন্তু মানুষ কাঁদে। বহুদিন তাকে মনে রাখে। সব গুণাবলি যেন থাকে, তারা যেন অতি মানবিক হয়। ’
বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া বক্তব্য দেন।
Chetonabarta: করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্বিন্যাস করা (কাটছাঁট) সিলেবাসে আগামী নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এ কথা জানিয়েছেন। ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপনের তথ্য জানাতে আজ সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস হবে, তাহলে কি এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হবে? জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই হবে। পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে হবে। ছয়টি বিষয়েই পরীক্ষা হবে কি না জানতে চাইলে জাকির হোসেন বলেন, সেটা পরিস্থিতি বলে দেবে। ছয়টি নেওয়ার মতো অবস্থা থাকলে ছয়টিই নেওয়া হবে।। প্রস্তুতি আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষাও হবে। আগের দিন রোববার আন্তমন্ত্রণালয় সভা করে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান করোনার কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে প্রথমে এ বছরের এবং আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এবং প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিন হবে। বাকি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস সপ্তাহে একদিন হবে।
Chetonabarta: করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্বিন্যাস করা (কাটছাঁট) সিলেবাসে আগামী নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এ কথা জানিয়েছেন। ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপনের তথ্য জানাতে আজ সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস হবে, তাহলে কি এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হবে? জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই হবে। পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে হবে। ছয়টি বিষয়েই পরীক্ষা হবে কি না জানতে চাইলে জাকির হোসেন বলেন, সেটা পরিস্থিতি বলে দেবে। ছয়টি নেওয়ার মতো অবস্থা থাকলে ছয়টিই নেওয়া হবে।। প্রস্তুতি আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষাও হবে। আগের দিন রোববার আন্তমন্ত্রণালয় সভা করে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান করোনার কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে প্রথমে এ বছরের এবং আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এবং প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিন হবে। বাকি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস সপ্তাহে একদিন হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বলছি—গত বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সংক্রমণের হার অনেক কমে গিয়েছিল। এ কারণেই আমরা এবারও নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পরীক্ষাগুলো নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরীক্ষার সময়সূচিসহ সবকিছুই ঠিক করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সংক্রমণের হার দশ শতাংশের নিচে চলে এলেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেব। প্রথমে আমরা আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করব।
বেশির ভাগ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনতে পারলে এবং করোনার সংক্রমণের হার কমে এলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেব।’ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সপ্তাহে ছয় দিনের জন্যই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাব, বিষয়টি এমন নয়। আমরা প্রথম দিকে বিরতি দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাব। এভাবে ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা খুব সহসাই বিশ্ব থেকে বিদায় নেবে, বিষয়টি এমন নয়। করোনা হয়তো অনেক দিনই বিশ্বে থাকবে, এটিকে মাথায় রেখেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা কাঠামো তৈরি করতে হবে।
সোমবার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এবং সচিবালয় থেকে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি অনুদান হিসেবে কিছু দিলে ট্রাস্ট তা গ্রহণ করতে পারবে। বিধি দিয়ে বিষয়গুলো নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। ১৯৯৫ সালের আগের অধ্যাদেশকে বদলে নতুন এই আইন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও জানান,
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক হবেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ট্রাস্টির ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। ট্রাস্টি বোর্ডে আটজন সদস্য তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। এককালীন চাঁদা দিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষকদের এই ট্রাস্টির সদস্য হতে হবে। শিক্ষকদের পাশাপাশি তাদের পোষ্যরা এখান থেকে সুবিধা পাবেন।
শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ আঠারো বছর এবং এর বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে এ কথা বলা হয়। সোমবার এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণ ও অন্যদের ভ্যাকসিন নিতে উদ্বুদ্ধ করতে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করা হলো।
আদেশে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ করা হয়।
নির্দেশনাগুলো হলো:
>> সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ১৮ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ভ্যাকসিন গ্রহণের বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্বুদ্ধ করবেন।
>> মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের দফতর, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজ নিজ দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবেন।
>> শিক্ষকরা অনলাইনে বা ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণসহ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করবেন।
>> সকল দফতর, সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভ্যাকসিন গ্রহণের বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১৯ জুলাই এই নির্দেশনা অনুযায়ী এবারের কর্মসূচিতে দফতর, সংস্থা, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা কার্যালয়, সকল পিটিআই, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের স্কুলগুলোতে ১৫ আগস্ট জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে।
দফতর, সংস্থা এবং পিটিআইয়ের মসজিদে বাদ জোহর সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিশেষ মোনাজাত করতে হবে। মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেনস ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার দেখা নয়া চীন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিশুদের জন্য প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ২৬টি গ্রন্থ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিনবে এবং পাঠের ব্যবস্থা করবে। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম ও কৃতি শিক্ষার্থীদের এসব বই উপহার হিসেবে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় শোক দিবসে আয়োজিত সকল প্রতিযোগিতায় বইগুলো উপহার হিসেবে দিতে হবে।
প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেনা বইয়ের তালিকার একটি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক।
এছাড়াও দফতর ও সংস্থা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
আছমাউল আলমঃ
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত।শিক্ষানীতির সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রথমত এইচএসসি পাস মহিলা শিক্ষক এবং পরবর্তীতে সমযোগ্যতার পুরুষ -মহিলা উভয়ই কমপক্ষে ২য় শ্রেণির স্নাতক করা হয়।
উক্ত শিক্ষানীতিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃজন করার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক পদটিও ৩য় শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।এবং পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কে ৮ম শ্রেণিতে পরিণত করা হয়েছে।তাই ২০১৩ তে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণসহ এইচএসসি পাসে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল।আবার সর্বশেষ নিয়োগ বিধিতে ফীডার পদে সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পুরুষ -মহিলা উভয়েরই কমপক্ষে ২য় শ্রেণি।তাই পদোন্নতির ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির সুপারিশ মতে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি ছাড়া পদোন্নতি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
যেহেতু সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধি ২০১৯ এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ নেই,তাই এসএসসি,এইচএসসি ও স্নাতক,এমনকি এসএসসি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ৩য় বিভাগ পাওয়া সহকারী শিক্ষকগণও পদোন্নতির আওতায় আসবে যা জাতীয় শিক্ষানীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাই প্রাথমিক শিক্ষকরা মনে করে ২০১৯ এর নিয়োগ বিধি দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করা আদৌ সম্ভব নয়।
উল্লিখিত বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনও দ্বিধাগ্রস্ত,এমনকি মামলার হুমকিও ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।তাই প্রায় ১ যুগ পর পদোন্নতির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপযুক্ত ও টেকসই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লেখক:সদস্য সচিব
পদোন্নতি বিষয়ক উপ-কমিটি
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি(রেজিঃ নংঃ এস-১৫৩৬(৯৬)/৯৩)।
বাংলাদেশ শিক্ষা/এফএ
শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে দেশে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ২০২২ সালের মাধ্যমিক স্তরের (এসএসসি) এবং উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জুলাই) এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।
আদেশে জানানো হয়, ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম গত ১৪ জুন থেকে চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রেডভিত্তিক চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে এ অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
এদিকে ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত করা হলেও চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ইতোমধ্যে ঈদুল আজহার আগে প্রথম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট কাজ দেয়া হয়েছে। সেটি শেষ করে জমা দেয়ার পর দ্বিতীয় সপ্তাহের কাজ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে গত ১৫ জুলাই চলতি বছরের এসএসসি-এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সম্ভাব্য একটি সময়সূচি ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের পর এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
এতে বলা হয়, বর্তমান অতিমারি পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের গ্রুপভিত্তিক ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিখন ফল অর্জনের বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের কোনো অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবশ্যিক বিষয়সমূহের নম্বর জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে নম্বর প্রদান করা হবে। এ ছাড়া উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রুপভিত্তিক বিষয়সমূহের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে কারণে গ্রুপভিত্তিক বিষয়সমূহের মূল্যায়ন জরুরি।
এতে আরও জানানো হয়, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার্থীদের আগামী রোববার (১৮ জুলাই) থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে।
১২ সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর প্রতি সপ্তাহে ২টি করে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার্থীদের আগামী ২৬ জুলাই থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ১৫ সপ্তাহে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ে (৬টি পত্রে) প্রতিটি পত্রে ৫টি করে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পূর্ববর্তী জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে এবং অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে অথবা শুধু সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আসন্ন ঈদুল আজহার পর এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ অনলাইনে শুরু হবে।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরীক্ষা আয়োজন করা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। এ অবস্থায় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিকল্প মূল্যায়নের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
চেতনাবার্তাঃ অনেক লোকবল নেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। সম্প্রতি রাজস্ব খাতে লোকবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েকটি পদে মোট ২৮১ জনকে নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
অনলাইনে পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে ৫ জুলাই থেকে। আবেদন করা যাবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।
পদের নাম ও পদসংখ্যা
সাঁটলিপিকার কাম-কম্পিউটার অপারেটর-০১
উচ্চমান সহকারী-১০
ইউডিএ কাম ডাটা প্রসেসর-০১
হিসাবরক্ষক-০৭
সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর-০৩
লাইব্রেরিয়ান-০৮
ড্রাইভার-১০
অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-৩৫
এলডিএ কাম ডাটা প্রসেসর-০৫
হিসাব সহকারী-২২
ক্যাশিয়ার-০২
সহকারী লাইব্রেরিয়ান কাম ক্যাটালগার-০৬
সহকারী লাইব্রেরিয়ান-০২
ল্যাবরেটরি সরকারি-৯৮
ল্যাব সহকারী-২১
এলডিএ কাম ক্যাশিয়ার-০৩
এলডিএ কাম টাইপিস্ট-০২
ল্যাব সহকারী-১০
ইলেকট্রিশিয়ান কাম পাম্প অপারেটর-০১
ক্যাশ সরকার-০৯
ইলেকট্রিশিয়ান-০১
অফিস সহায়ক-০৬
আবেদনের যোগ্যতা
প্রতিটি পদে আবেদনের জন্য আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমা আলাদা আলাদা। পদভেদে আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমার শর্তাবলি জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।
চাকরি আবেদনের বয়স
প্রার্থীর বয়স ১-৬-২০২১ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর।
আবেদনের নিয়ম
আগ্রহী প্রার্থীরা (http://dter.teletalk.com.bd) ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদনপত্র ৩১-৭-২০২১ তারিখে পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন আগ্রহীরা।
ইতোমধ্যে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরির কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্টরা। শোনা যাচ্ছে, ৫০ হাজার শিক্ষক পদের বিজ্ঞপ্তি হতে পারে।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএ সচিব ড. এ টি এম মাহবুব-উল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আশা করছি আগামী তিন মাসের মধ্যে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ইতোমধ্যে আমরা এ বিষয়ে যাবতীয় কার্যক্রম শুরু করেছি।’
চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে পদের সংখ্যার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফলাফল দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ পদগুলো চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে যোগ করা হবে। আর এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩৫ হাজার শূন্য পদের চাহিদা পেয়েছি। বলা যায় সবমিলিয়ে আবারো অর্ধলাখ শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। তবে এ পদের সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে।’
এর আগে গত ১৫ জুলাই রাতে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানে তিন হাজার ৬৭৬ জনকে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করে এনটিআরসিএ।
ওইদিন এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করা হলেও আদালতে মামলার কারণে আবেদনকারীদের ফলাফল এতদিন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে নিয়োগের ফল আজই প্রকাশ করা হবে।’
এর আগে গত ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫৪ হাজার ৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
চেতনাবার্তা ডেস্কঃ
করোনা মহামারীর মধ্যে স্কুল খোলা রেখে দুই শতাধিক ক্ষুদে শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিচ্ছিলো কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে ওই প্রতিষ্ঠান সিলগালা এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার কলেজ গেট এলাকায় বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনে এই অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
তিনি জানান, করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বর্ণমালা কিন্ডার গার্টেনে আজ প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছিলো।
তিনটি কক্ষে গাদাগাদি করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের বসানো হয়। তাদের বয়স ৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে। কিন্ডারগার্টেনে প্রধান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৬ জন শিক্ষক। অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মুখে ছিল না মাস্ক। কেন্দ্রের বাইরে জটলা করে দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিভাবকরা। তাদেরও অনেকে মাস্ক পড়েননি।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত কিন্ডারগার্টেন সিলগালা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
খবর বিজ্ঞপ্তিরঃ সরকারের কাছে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরিষদ। রোববার (১৮ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগযোগ্য সব পদে ৪৫ বছর পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সহকারি শিক্ষক থেকে ১০০ শতাংশ সরাসরি পদোন্নতির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া, প্রধান শিক্ষক পদে সহকারি প্রধান শিক্ষক থেকে ৫০ শতাংশ সিনিয়রিটির ভিত্তিতে সরাসরি পদোন্নতি। বাকি ৫০ শতাংশ অভিজ্ঞতার শর্ত সাপেক্ষে (যা ৩ বছর হতে পারে) বিভাগীয় প্রার্থীতার ভিত্তিতে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদসহ দ্বিতীয় শ্রেণি/তদুর্ধ্ব শ্রেণির সব পদে ১০০ শতাংশ বিভাগীয় প্রার্থিতার ভিত্তিতে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ।
যেখানে সবাই সুযোগ পাবে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে এইউইও/এটিইও থেকে সরাসরি পদোন্নতি দেওয়া, ডিপিএড প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের দ্রুত প্রশিক্ষণ ভাতা দিতে হবে, ডিপিএড প্রশিক্ষণের ফলে প্রায় ৪৫ থেকে ৫২ হাজার শিক্ষকের প্রত্যেকের ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা নগদ পাওনা থেকে বঞ্চিত হবেন তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। প্রধান শিক্ষকদের নবম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদান করা, চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের যেদিন থেকে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেদিন থেকেই পদোন্নতি কার্যকর করা ও ডিপিএড কোর্সকে বিএড সম্মান দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল আউয়াল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধলক্ষাধিক শিক্ষক পদে নিবন্ধিতদের নিয়োগ সুপারিশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)৷ এখন সুপারিশপ্রাপ্তরা তাদের করণীয় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন।
এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু প্রক্রিয়াগত কাজ শেষে ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের সুপারিশপত্র প্রকাশ করা হবে। অ্যাপ্লিকেন্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে সুপারিশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। তারপর তা প্রিন্ট করতে হবে। এরপর সুপারিশপত্র ও সব সনদ নিয়ে প্রতিষ্ঠান যোগদান করতে হবে। সুপারিশপত্রে প্রার্থীদের যোগদান সংক্রান্ত সব নির্দেশনা দেয়া হবে।
এদিকে সুপারিশপ্রাপ্তদের কি কি কাগজপত্র লাগবে সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। তারা জানান, সুপারিশ পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয় পরিচয় পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ও সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যয়িত ছবি সংযুক্ত করে নিয়োগপত্র প্রাপ্তির জন্য সুপারিশ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর আবেদন করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পত্র প্রদান করবেন। নিয়োগ পত্র প্রাপ্তির পর নিয়োগ পত্রে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে হবে।
শিক্ষকরা আরও জানিয়েছেন, যোগদান করার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার স্কুল-কলেজের জন্য ইএমআইএস সেলে আর মাদরাসার জন্য মেমিস সেলে অনলাইন এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
কিন্তু সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধি ২০১৯ এ তা উল্লেখ করা হয়নি।ফলে বর্তমানে চলমান গ্রেডেশন অনুযায়ী নিয়োগকালীন যোগ্যতা এসএসসি পাশকৃত সহকারী শিক্ষকগণও জ্যেষ্ঠতা পাবেন যা পূর্বের নিয়োগ বিধি ১৯৯১ ও ২০১৩ এর সাথে সাংঘর্ষিক।
এতে ২০১৮ থেকে প্রধান শিক্ষক (চ.দা.) পদে দায়িত্ব পালনকারী শত শত শিক্ষক জুনিয়র হয়ে বর্তমান প্রধান শিক্ষক (চ.দা.) পদ হারিয়ে পূর্বপদে প্রত্যাবর্তন করতে বাধ্য থাকবেন।যদিও অন্য কোনো কারণেও অনেক শিক্ষক প্রধান শিক্ষক (চ.দা.) পদ হারাতে পারেন।
উল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধি ২০১৯ এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার স্পষ্টীকরণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করি।
লেখক: সহকারী শিক্ষক,উছমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কুলিয়ারচর,কিশোরগঞ্জ।