বগুড়ায় ‘বঙ্গবন্ধু মাচাং’ কান্ডে জড়িতরা আত্মগোপনে

 স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের আশোকোলা দক্ষিণ পাড়ায় ‘বঙ্গবন্ধু মাচাং’ (মাচান) উদ্বোধনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি টক অব দি টাউনে পরিণত হয়েছে। এই বাঁশের মাচান উদ্বোধনের ঘটনায় জড়িতরা রয়েছে অধরা। তারা গা ঢাকা দিয়েছে।


পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মাচান উদ্বোধনের ভিডিওটি পুলিশ জব্দ করেছে বলেও স্থানিয় সূত্র জানিয়েছে। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি। সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখা যায়,  কৌতুহলী মানুষ এই‘ মাচানকান্ড’ নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ মাচানে বসছেন। কেউ বা মাচানের পাশে দাঁড়িয়ে আইসক্রিম খাচ্ছেন। কিন্তু মাচান যারা তৈরি করেছেন তারা কেউ নেই। তারা সবাই গা ঢাকা দিয়েছে।  
এ দিকে, মাচান উদ্বোধন ঘটনায় শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে যুবলীগ নেতা আনিছার রহমান খলিলকে বহিষ্কার করা হলেও এ ঘটনায় আরও জড়িত স্থানিয় আওয়ামীলীগ নেতা ও কর্মিদের বিরুদ্ধে গতকাল পর্যন্ত কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে গতকাল বগুড়া সদর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ বলেছেন এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। যে সব স্থানিয় দলীয় নেতা-কর্মি ‘মাচান ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
জানা যায়, যুবলীগ নেতা আনিছার রহমান খলিল আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নুনগোলা ইউনিয়নে সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, এ প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এলাকায় নির্বাচনী কাজ করে বেড়াচ্ছেন। গ্রামের লোকজন নিয়ে আড্ডা দেয়ার জন্য তিনি আশোকোলা দক্ষিণপাড়ায় রাস্তার মোড়ে বাঁশের মাচান তৈরি করেন। আর সেই মাচানের নাম দেয়া হয় ‘বঙ্গবন্ধু মাচান’। রোববার বিকেলে গোকুল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু মাচান’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। সোমবার থেকে ‘বঙ্গবন্ধু মাচান’ উদ্বোধনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে তাকে বহিষ্কার করা হয়। জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন বলেন, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় যুবলীগ নেতা আনিছার রহমান খলিলকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
 এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বগুড়া সদর থানার ওসি মো: সেলিম রেজা বলেন, এই মাচান বিষয়ক কোন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসে নি। থানা থেকে ঘটনাস্থলে কোন পুলিশও যায়নি। তবে কৌতুহল বশত: কোন পুলিশ সদস্য সেখানে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সেখান থেকে কোন ভিডিও জব্দ করা হয়নি।

Post a Comment

[facebook][blogger]

Chetona Barta

{facebook#http://www.facebook.com/ChetonaBarta}

Md. Rashaduzzaman

{facebook#http://www.facebook.com/rashaduzzaman777} {twitter#http://twitter.com/rashaduzzaman} {google-plus#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget